রোববার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সানা-কে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন হায়ার পিপলস অ্যাসেম্বলি নির্বাচনী কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ তাহা আল-আহমাদ। তিনি জানান, চলতি বছরের ১৫ থেকে ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
নতুন এই নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের ২১০টি সংসদীয় আসনের মধ্যে এক-তৃতীয়াংশ আসনে সরাসরি মনোনয়ন দেবেন প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল শারা। বাকি আসনগুলো পরোক্ষ ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হবেন, যেখানে বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক এবং গোষ্ঠীগত প্রতিনিধিত্বের প্রতিফলন ঘটানো হবে।
নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় নারীদের অংশগ্রহণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। অন্তত ২০ শতাংশ নারী নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে থাকবেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে। নারীদের এই অংশগ্রহণ শুধু প্রতীকী নয়, বরং প্রশাসনিক ও ব্যবস্থাপনাগত দিক থেকেও তাদের সক্রিয় ভূমিকা নিশ্চিত করা হবে।
নির্বাচন নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলেও আগ্রহ তৈরি হয়েছে। নির্বাচনী কার্যক্রম আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সরাসরি পর্যবেক্ষণে পরিচালিত হবে বলে জানানো হয়েছে। এর মাধ্যমে নির্বাচনকে আরও স্বচ্ছ, গ্রহণযোগ্য ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে উপযোগী করে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সিরিয়ার ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কাঠামো গঠনের ক্ষেত্রে এই নির্বাচনকে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। দীর্ঘ একনায়কতান্ত্রিক শাসনের পর এ নির্বাচন কতটা গণতান্ত্রিক ও প্রতিনিধিত্বমূলক হয়, সে দিকেই তাকিয়ে আছে দেশটির জনগণ এবং বিশ্ব সম্প্রদায়।