মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ভারতভিত্তিক পোর্টইজ পার্টনার্স এলএলপি ইরানি পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য আমদানির একাধিক চালানে সরাসরি সহযোগিতা করেছে। প্রতিষ্ঠানটির দুই অংশীদার ও ভারতীয় নাগরিক ইন্দ্রিষ্মায়া আশারাফমায়া শেখ এবং হরিশ রামচন্দ্র রাঙ্গিকেও পৃথকভাবে নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হয়েছে।
তালিকায় থাকা আরেক ভারতীয় প্রতিষ্ঠান সদাশিবা ওভারসিজ লিমিটেড। মার্কিন কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটি কয়েকটি সরবরাহকারীর কাছ থেকে প্রায় ৬৯ মিলিয়ন ডলারের ইরানি পেট্রোলিয়াম পণ্য আমদানি করেছে। এসব সরবরাহকারীর মধ্যে আগে থেকেই মার্কিন নিষেধাজ্ঞার তালিকায় থাকা বনজুর কমোডিটি এফজেডই-ও ছিল।
মার্কিন নির্বাহী আদেশ ১৩৮৪৬-এর আওতায় ইরানি পেট্রোলিয়াম পণ্য বড় পরিসরে জেনে-শুনে কেনা ও পরিবহনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে সদাশিবা ওভারসিজের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া নিষেধাজ্ঞার তালিকায় রয়েছে পিপি সফটটেক প্রাইভেট লিমিটেড এবং প্রকৃতিস ইনফ্রা ইমপেক্স ইন্ডিয়া প্রাইভেট লিমিটেড।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, পিপি সফটটেক ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত প্রায় ২৫ মিলিয়ন ডলারের ইরানি তেলজাত পণ্য আমদানি করেছে। প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক ও ভারতীয় নাগরিক প্রশান্ত গার্গকেও নিষেধাজ্ঞার আওতায় নেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, প্রকৃতিস ইনফ্রা ইমপেক্স ইন্ডিয়া প্রাইভেট লিমিটেডের বিরুদ্ধে ২০২৩ সালের মে থেকে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রায় ২৫ মিলিয়ন ডলারের ইরানি পেট্রোলিয়াম পণ্য আমদানির অভিযোগ আনা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের নতুন এই পদক্ষেপের মাধ্যমে ইরানের তেল ও পেট্রোকেমিক্যাল বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত ভারতীয় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ওপরও নিষেধাজ্ঞার চাপ বাড়ল।