প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, গাজায় ইসরায়েল যে পরিমাণ বিস্ফোরক নিক্ষেপ করেছে, তার পরিমাণ ৮৫,০০০ টন, যা হিরোশিমায় ফেলা পারমাণবিক বোমার (~১৫ কিলোটন) চেয়ে প্রায় ছয় গুণ বেশি শক্তিশালী। এ ধরনের হামলা গাজার অনেক এলাকাকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করেছে।
গাজায় মানবিক সংকট চরমে পৌঁছেছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো গাজার অবস্থা বর্ণনা করছে "মৃত্যুফাঁদ" হিসেবে। সেখানে খাদ্য, ওষুধ ও জরুরি ত্রাণ সরবরাহে বাধা সৃষ্টি হয়েছে। হাজার হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত ও অনাহারে ভুগছে।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা শিল্পের শেয়ারমূল্য ২১৩% বৃদ্ধি পেয়েছে এই সময়ে, এবং অস্ত্র নির্মাতা কোম্পানিগুলো রেকর্ড পরিমাণ মুনাফা অর্জন করেছে।
অন্যদিকে, জাতিসংঘ ইসরায়েলের বিরুদ্ধে অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা আরোপ ও যুদ্ধাপরাধের জবাবদিহিতা চেয়েছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা ও পর্যবেক্ষক দল ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে চালানো হামলাকে "গণহত্যা" হিসেবে আখ্যা দিয়েছে।
মাত্র গতকাল একদিনেই গাজায় ১১৮ জন নিহত ও ৫৮১ জন আহত হয়েছে বলে জানিয়েছে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।