১৬–১৭ জুলাই, সিরিয়ার রাজধানী দামেস্ক এবং দক্ষিণাঞ্চলীয় সুয়েইদা অঞ্চলে ব্যাপক বিমান হামলা চালায় ইসরায়েলি বাহিনী। হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রেসিডেন্সিয়াল প্রাসাদ ও সামরিক সদর দপ্তর। ইসরায়েল দাবি করেছে, এই অভিযান ছিল ‘দ্রুজ জনগোষ্ঠী রক্ষা’ ও ‘সন্ত্রাসী গোষ্ঠী প্রতিরোধের’ অংশ হিসেবে।
সুয়েইদায় দ্রুজ ও বেদুইন জনগোষ্ঠীর মধ্যে চলমান সংঘর্ষে প্রাণহানি ও আহতের সংখ্যা ইতোমধ্যে ২৫০ ছাড়িয়েছে। তবে চলমান উত্তেজনার মধ্যে একটিমাত্র আশার বার্তা—একটি আংশিক যুদ্ধবিরতি (ceasefire) কার্যকর হয়েছে।
অন্যদিকে, গাজায় ইসরায়েলি হামলায় মৃত্যুর সংখ্যা ৫৮,০০০ ছাড়িয়ে গেছে। প্রতিদিনই বেসামরিক হতাহতের সংখ্যা বাড়ছে। শুধুমাত্র একদিনে ৬১ জন নিহত হন, যাদের মধ্যে ছিলেন শরণার্থী ও ত্রাণ সহায়তা নিতে আসা সাধারণ মানুষ। শাতি শরণার্থী শিবির ও রাফাহ অঞ্চলে চালানো বোমা হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
জাতিসংঘ জানিয়েছে, মে মাস পর্যন্ত অন্তত ৮৭৫ জন মানুষ খাদ্য সহায়তা নিতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন। ইউনিসেফ জানায়, গাজায় প্রতিদিন গড়ে ২৮ শিশু হতাহত হচ্ছে, যা মানবিক সংকটের ভয়াবহতা আরও স্পষ্ট করে তোলে।
এই পরিস্থিতিতে তুরস্ক, সৌদি আরবসহ একাধিক আরব রাষ্ট্র ইসরায়েলের হামলার নিন্দা জানিয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, এ ধরনের অভিযান আন্তর্জাতিক মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন। ইসরায়েলের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের আলোচনা ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।