বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) ইসি এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, প্রাথমিক যাচাই-বাছাই শেষে যেসব সংস্থা যোগ্য বিবেচিত হয়েছে, তাদের চূড়ান্তভাবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর আগে ২৮ সেপ্টেম্বর ৭৩টি দেশি সংস্থার নাম প্রাথমিক তালিকায় প্রকাশ করা হয়। পরবর্তীতে যাচাই ও দাবি-আপত্তি নিষ্পত্তির পর অনুমোদিত সংস্থার সংখ্যা দাঁড়ায় ৬৬-তে।
ইসির ব্যাখ্যা অনুযায়ী, নতুন নির্বাচন পর্যবেক্ষণ নীতিমালা ২০২৫ কার্যকর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আগের দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের আগে নিবন্ধিত ৯৬টি পর্যবেক্ষক সংস্থার নিবন্ধন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়েছে। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী পর্যবেক্ষক হতে ইচ্ছুক সংস্থাগুলোকে পুনরায় আবেদন করতে হবে।
আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ১০ আগস্ট বিকেল ৫টা পর্যন্ত। আগ্রহী সংস্থাগুলোকে নির্ধারিত ফরম (EO-1) পূরণ করে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিবের কাছে জমা দিতে হবে। আবেদন ফরম ও নির্দেশনা পাওয়া যাবে ইসি সচিবালয়ের জনসংযোগ শাখায় (কক্ষ নং ১০৫) এবং ওয়েবসাইটে www.ecs.gov.bd।
এর আগে নাসির উদ্দিন কমিশন ২০২৩ সালের পুরনো নীতিমালা বাতিল করে নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করে। সেইসঙ্গে পূর্ববর্তী সরকারের আমলে নিবন্ধিত ৯৬টি দেশি পর্যবেক্ষক সংস্থার নিবন্ধনও বাতিল ঘোষণা করা হয়। বর্তমান কমিশন নতুন কাঠামোর ভিত্তিতে পর্যবেক্ষক নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করছে।
২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় প্রথমবারের মতো নির্বাচন পর্যবেক্ষক নিবন্ধন ব্যবস্থা চালু করে ইসি। তখন ১৩৮টি সংস্থা নিবন্ধন পেয়েছিল এবং প্রায় ১ লাখ ৫৯ হাজারেরও বেশি পর্যবেক্ষক মাঠে কাজ করেন। ২০১৪ সালের নির্বাচনে ৩৫টি সংস্থার ৮ হাজার ৮৭৪ জন, ২০১৮ সালের একাদশ নির্বাচনে ৮১টি সংস্থার ২৫ হাজার ৯০০ জন এবং সর্বশেষ ২০২৪ সালের দ্বাদশ নির্বাচনে ৮০টি সংস্থার ২০ হাজারের বেশি পর্যবেক্ষক দায়িত্ব পালন করেন।