বিশ্ব গণমাধ্যমে ফাঁস হওয়া তথ্য অনুযায়ী, ইরান থেকে ইসরায়েল অভিমুখে ছোড়া বিস্ফোরক বোঝাই ড্রোন প্রতিহত করতে সরাসরি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছে সৌদি আরবের বিমান বাহিনী। আঞ্চলিক নিরাপত্তার স্বার্থে, সৌদি আরব তাদের নিজস্ব আকাশসীমা ছাড়াও প্রতিবেশী জর্ডান ও ইরাক সীমান্তবর্তী এলাকায় হেলিকপ্টার ও আকাশ প্রতিরক্ষা ইউনিট মোতায়েন করে ড্রোনগুলো ধ্বংস করে দেয়।। এই অভিযানে সৌদি সেনাবাহিনী ফ্রান্স ও মার্কিন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সমন্বয়ে ইসরায়েলকে সক্রিয় সহায়তা প্রদান করে।
নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলছেন, এই সহযোগিতা শুধু তথ্য ও গোয়েন্দা শেয়ারিংয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না—বরং রাডার সিস্টেম, মাঝ-আকাশে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (mid-air interception), এমনকি ড্রোন শনাক্তকরণে প্রতিরক্ষা জোটের অংশগ্রহণ স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, সৌদি আরবের এই ভূমিকা কেবল মধ্যপ্রাচ্যের ইরান-বিরোধী জোটকে আরও স্পষ্ট করছে না, বরং অঞ্চলজুড়ে ইসরায়েলের প্রতি সৌদি নীতির রূপান্তরেরও ইঙ্গিত দেয়।
যদিও সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এখনও এ নিয়ে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেয়নি, পশ্চিমা গোয়েন্দা প্রতিবেদনে বলা হয়, সৌদি আরব ইসরায়েলের সামরিক ডিফেন্স কভারেজে একাধিকবার পরোক্ষ সহায়তা দিয়েছে। একইসাথে যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্সও আকাশ প্রতিরক্ষার যৌথ অভিযানে সক্রিয় ছিল।
এই দ্বিমুখী অবস্থান ইতোমধ্যে মুসলিম বিশ্বে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। অনেকে বলছেন, ‘প্রকাশ্যে নিন্দা, বাস্তবে সমর্থন’—এটাই এখন মধ্যপ্রাচ্যের নতুন রাজনীতির চেহারা।