রোববার (৮ মার্চ) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন-এ মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত অনুষ্ঠানে এই সম্মাননা প্রদান করা হবে।
মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা তাহমিনা আক্তার স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শুক্রবার (৬ মার্চ) এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে খালেদা জিয়াকে ‘গণতন্ত্রের মানসকন্যা’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আপসহীন আন্দোলনের মাধ্যমে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং গণতান্ত্রিক ধারাকে সুসংহত করার ক্ষেত্রে তার ভূমিকার স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে এই সম্মাননা দেওয়া হচ্ছে।
এদিকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে আরও পাঁচটি ক্যাটাগরিতে পাঁচজন নারীকে ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ পুরস্কার দেওয়া হবে। পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন—
১. অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারী: নুরুন নাহার আক্তার
২. শিক্ষা ও চাকরির ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারী: মোছা. ববিতা খাতুন
৩. সফল জননী: নুরবানু কবীর
৪. নির্যাতনের ভয়াবহতা পেরিয়ে জীবনসংগ্রামে জয়ী নারী: মোছা. শমলা বেগম
৫. সমাজ উন্নয়নে বিশেষ অবদান রাখা নারী: মোছা. আফরোজা ইয়াসমিন
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নিজ নিজ ক্ষেত্রে অসামান্য অবদান, সংগ্রাম ও অদম্য মানসিকতার স্বীকৃতি হিসেবে তাদের এ সম্মাননা দেওয়া হচ্ছে। নারী দিবসের এই আয়োজন নারীর ক্ষমতায়ন এবং সমাজে তাদের ভূমিকার গুরুত্ব তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবেও বিবেচিত।
মন্ত্রণালয়ের এই উদ্যোগকে দেশের নারীদের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে আরও সক্রিয় অংশগ্রহণে উৎসাহ জোগানোর একটি প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে এমন স্বীকৃতি নারীদের সংগ্রাম, নেতৃত্ব ও সাফল্যের গল্পকে বৃহত্তর সমাজের সামনে তুলে ধরতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।
রোববারের অনুষ্ঠানটি শুধু পুরস্কার প্রদানেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং নারী নেতৃত্ব, সংগ্রাম ও সমাজে নারীর প্রভাব তুলে ধরার একটি মর্যাদাপূর্ণ আয়োজন হিসেবেও অনুষ্ঠিত হবে।