শুক্রবার (১২ জুন) বাগেরহাটের মোংলায় কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ে এসব তথ্য জানান জোনাল কমান্ডার ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ মেসবাউল ইসলাম।
তিনি বলেন, উপকূলীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত টহল, গোয়েন্দা নজরদারি এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হয়েছে। বিশেষ করে ড্রোন ও সার্ভিলেন্স সিস্টেমের মাধ্যমে দুর্গম নদীপথ ও সুন্দরবনের খালগুলোতেও নজরদারি করা হচ্ছে। ফলে সাম্প্রতিক সময়ে পুশইন চেষ্টাগুলো কার্যকরভাবে প্রতিহত করা সম্ভব হয়েছে।
তিনি আরও জানান, সুন্দরবন এলাকায় দস্যুতা দমনে ধারাবাহিক অভিযান চলছে। বিভিন্ন সময়ে অভিযান চালিয়ে অস্ত্র, গুলি ও সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি ৩৯ জন দস্যু ও জলদস্যুকে আটক এবং ৪০ জনের বেশি জিম্মিকে উদ্ধার করা হয়েছে।
কোস্টগার্ডের এই কর্মকর্তা বলেন, সুন্দরবনের ভেতরে সক্রিয় দস্যু বাহিনীগুলো ছোট ছোট দলে বিভক্ত হয়ে জেলে ও মৌয়ালদের লক্ষ্য করে অপহরণ ও চাঁদাবাজির চেষ্টা চালায়। তবে নিয়মিত অভিযান ও নজরদারির কারণে তাদের কার্যক্রম আগের তুলনায় অনেক কমে এসেছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, মুক্তিপণের অর্থ অনেক সময় উপকূলীয় বিভিন্ন এলাকায় হাতবদল হয়, যার সঙ্গে যুক্ত সহযোগী চক্রগুলোকেও নজরদারিতে আনা হয়েছে।
কোস্টগার্ড জানায়, দেশের উপকূলীয় নিরাপত্তা, মৎস্যজীবী ও বনজীবীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সমন্বিত অভিযান ও প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি অব্যাহত থাকবে।