শুক্রবার (১২ জুন) কক্সবাজারের পিএমখালী এলাকায় পাতালী-মাছুয়াখালী খাল পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী জানান, খালটি পুনঃখনন করা হলে এর পানি কৃষি সেচে ব্যবহার করা যাবে, ফলে উৎপাদন বাড়বে। একই সঙ্গে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা কমবে এবং এলাকার মানুষ বন্যার ঝুঁকি থেকে কিছুটা স্বস্তি পাবে।
তিনি আরও বলেন, খালের দুই পাশে বৃক্ষরোপণ করা হবে এবং মাছ চাষের মাধ্যমে স্থানীয় অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করার পরিকল্পনা রয়েছে। খনন কার্যক্রমে স্থানীয়দের সম্পৃক্ত করার ফলে কর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরি হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
পানিসম্পদ মন্ত্রী জানান, দেশের ৫৪টি জেলায় খাল খনন ও পুনঃখননের কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল, নদী, জলাশয় ও পুকুর পুনরুদ্ধারের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় খাল খননের মাধ্যমে কৃষিতে যে অগ্রগতি হয়েছিল, সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকারও একই ধরনের উদ্যোগ এগিয়ে নিচ্ছে।
এ সময় স্থানীয় সংসদ সদস্য, প্রশাসনের কর্মকর্তারা এবং বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।