মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) দুপুরে টাঙ্গাইল শহরের নিরালা মোড়ে আয়োজিত দেশজুড়ে জুলাই পদযাত্রা কর্মসূচির অংশ হিসেবে আয়োজিত এক পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, শেখ মুজিবুর রহমান যেমন বড় নেতা ছিলেন, তেমনি তার উত্থানে মওলানা ভাসানীর অবদান অনস্বীকার্য। ভাসানী না থাকলে মুজিবও তৈরি হতো না। কিন্তু দুঃখজনকভাবে ইতিহাসে ভাসানীকে প্রান্তিক করে রাখা হয়েছে।
তিনি মাওলানা ভাসানীর রাজনৈতিক সংগ্রামের কথা তুলে ধরে বলেন, ভাসানীর রাজনৈতিক সংগ্রাম শুধু বাংলাদেশে সীমাবদ্ধ ছিল না। আসাম থেকে শুরু করে উপমহাদেশের কৃষক-শ্রমিকের অধিকার আদায়ে তিনি আমৃত্যু লড়াই করে গেছেন। আজও আসামের বাঙালি মুসলমান ও হিন্দুরা তাদের জমির অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য লড়ছে, যা ভাসানী শুরু করেছিলেন।
মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে ১৯৫৭ সালের কাগমারী সম্মেলনকে স্মরণ করে তিনি বলেন, তিনি ছিলেন প্রথম রাজনীতিবিদ, যিনি পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠীকে বিদায় বলে দিয়েছিলেন। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে বলেছিলেন, ‘আমরা পিন্ডি ভেঙেছি দিল্লির গোলাম হওয়ার জন্য নয়।’ তার রাজনীতি ছিল শোষণ-বঞ্চনার বিরুদ্ধে সংগ্রামের প্রতীক।
নাহিদ ইসলাম আরো বলেন, ভাসানী ছিলেন তৃণমূলের নেতা, কৃষক-শ্রমিক-গণমানুষের কণ্ঠস্বর। জাতীয় নাগরিক পার্টি তার আদর্শ বুকে ধারণ করেই দেশের নতুন পথ দেখাতে চায়।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন, সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা, দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম এবং মুখ্য সমন্বয়কারী নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী।