তিনি জাতিসংঘের মানবাধিকার হাইকমিশনের কার্যালয় স্থাপন সম্পর্কে জানান, এই সিদ্ধান্ত কোনো হঠকারী ছিল না; দীর্ঘ আলোচনার পর দেশের স্বার্থ সুরক্ষিত রেখেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের ভিন্নমত থাকলেও তিনি তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, “আমরা নিজেদের স্বার্থেই কাজটি করেছি।”
চীন তাদের নদীতে হাইড্রো পাওয়ার প্রকল্প বাস্তবায়ন করলেও এতে বাংলাদেশের ওপর তেমন নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না বলে আশ্বস্ত করেন উপদেষ্টা। তিনি জানান, “আমাদের নদীগুলোর উৎস দেশের বাইরে। চীনের রাষ্ট্রদূত আমাদের নিশ্চিত করেছেন যে, আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে পানি ব্যবহৃত হবে এবং পানি প্রত্যাহার করা হবে না। তাই এতে বিচলিত হওয়ার কারণ নেই।”
ভারত ঢাকায় বিশেষ মেডিক্যাল টিম পাঠানো নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “আমরা ভারতের সঙ্গে পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে সম্পর্ক রাখতে চাই। দুর্ঘটনার পর যারা সহায়তা দিতে চেয়েছে, তাদের মধ্যে ভারতও ছিল। বার্ন ইউনিট থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়ে তাদের জানিয়েছি। তারা দুজন ডাক্তার ও নার্স পাঠিয়েছে। আমাদের কার্টেসির জায়গা থেকে যা করা দরকার করেছি।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা কখনো বলিনি ভারতের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক চাই না। বরং ভালো কাজের পরিবেশ বজায় রেখে সম্পর্ক রাখতে চাই।”
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শুল্ক প্রত্যাহার নিয়ে আলোচনা এখনও চলমান উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আলোচনা শেষ হওয়ার আগে মন্তব্য করা উচিত নয়। বিষয়টি যারা আলোচনা করছেন, তাদের কাছেই জানতে হবে।”
ভিসা জটিলতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “বিদেশে ভিসা পেতে সমস্যা হচ্ছে কারণ আবেদনকারীরা অনেক সময় মিথ্যা তথ্য দেন, ভুল পাসপোর্ট জমা দেন। আগে এসব ধরা যেত না, এখন সহজেই ধরা পড়ে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ‘সেলস এজেন্সি’, আপনারা যা তৈরি করবেন, আমরাও তাই বিশ্বে তুলে ধরব।”
তৌহিদ হোসেন বলেন, “একজনের একাধিক পাসপোর্ট ইস্যু হওয়ার ঘটনা অতীতে ছিল। এসব অপরাধমূলক কাজ এখনো কিছুটা চলছে। আমাদের ঘর গোছাতে হবে। ভুল তথ্য দেওয়া বন্ধ হলে পরিস্থিতির উন্নতি হবে।”