গাজার প্রায় ৪৭ শতাংশ অঞ্চল থেকে সেনা প্রত্যাহার করেছে ইসরায়েল। এতে যুদ্ধবিরতির পর ধ্বংসস্তূপে পরিণত শহরগুলোয় ধীরে ধীরে ফিরতে শুরু করেছেন লাখ লাখ বাস্তুচ্যুত বাসিন্দা।
শনিবার (১১ অক্টোবর) এক প্রতিবেদনে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম আল জাজিরা জানায়, ইসরায়েলি বাহিনী আংশিক সেনা প্রত্যাহার শুরু করায় গাজার বিভিন্ন শহরে পুনর্গঠন ও ত্রাণ কার্যক্রম পুনরায় শুরু হয়েছে। যুদ্ধবিধ্বস্ত মানুষজন ঘরে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছে, যদিও অনেক এলাকার অবকাঠামো এখনো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত।
এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, “আগামী সোমবারই গাজার সব জিম্মি মুক্তি পাবে।” তিনি আরও জানান, মিসরে অনুষ্ঠিতব্য হামাস-ইসরায়েল শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে তিনি সরাসরি অংশ নেবেন।
অন্যদিকে, গাজায় কোনো ধরনের বিদেশি অভিভাবকত্ব বা নিয়ন্ত্রণ মেনে নেবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠনগুলো—হামাস, ইসলামিক জিহাদ এবং দ্য পপুলার ফ্রন্ট ফর দ্য লিবারেশন অব প্যালেস্টাইন (পিএফএলপি)।
জাতিসংঘ ও সংশ্লিষ্ট ত্রাণ সংস্থাগুলো জানিয়েছে, গাজায় জরুরি মানবিক সহায়তা পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। তাদের দাবি, প্রয়োজনীয় অনুমতি পেলেই প্রায় ৬ হাজার ত্রাণবাহী ট্রাক দ্রুত গাজায় প্রবেশ করবে।
এই সেনা প্রত্যাহার ও আসন্ন চুক্তি প্রক্রিয়া মধ্যপ্রাচ্যে নতুন শান্তির প্রত্যাশা জাগালেও, বিশ্লেষকদের মতে, গাজার পুনর্গঠন এবং স্থায়ী স্থিতিশীলতা এখনো বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে আছে।