গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধের শুরুর দিকের হামলায় খামেনি এবং তার পরিবারের কয়েকজন সদস্য নিহত হন।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়, খামেনির মরদেহের পাশাপাশি তার জামাতা মেসবাহ-ওল-হোদা বাঘেরি, জ্যেষ্ঠ কন্যা সাইয়্যেদেহ বশরা হোসেইনি খামেনি, পুত্রবধূ জাহরা হাদ্দাদ আদেল এবং মাত্র ১৪ মাস বয়সী নাতনি জাহরা মোহাম্মদি গোলপায়গানির মরদেহও জনসাধারণের শেষ শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাখা হয়।
ছোট্ট জাহরার কফিনের সামনে তার একটি ছবিও প্রদর্শন করা হয়, যা উপস্থিত মানুষের মধ্যে আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি করে। সব মরদেহই ইরানের জাতীয় পতাকায় আচ্ছাদিত কফিনে রাখা হয়েছিল।
রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবির তথ্য অনুযায়ী, খামেনির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে প্রথমদিকে আফগানিস্তান ও ইন্দোনেশিয়ার কয়েকজন ধর্মীয় নেতা মোসাল্লায় উপস্থিত হন। পরে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষও সেখানে এসে শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।