তিনি দাবি করেন, ইরানের নৌবাহিনী ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতায় বড় ধরনের ক্ষতি করা হয়েছে। তবে যুদ্ধ কবে শেষ হবে, সে বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট সময় জানাননি। আলোচনার মাধ্যমে সমাধান না হলে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতেও হামলার সম্ভাবনার কথা তিনি উল্লেখ করেন।
এদিকে হরমুজ প্রণালী ঘিরে উত্তেজনা বেড়েই চলেছে। এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে অস্থিরতার কারণে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে, যা নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবের দাবি নাকচ করেছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ ধরনের তথ্যকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছে।
ট্রাম্পের বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছেন মার্কিন সিনেটর চাক শুমার। তিনি এই যুদ্ধকে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে একটি বড় ভুল সিদ্ধান্ত হিসেবে উল্লেখ করেন।
মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, চলমান অভিযানে বহু লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করা হয়েছে। তবে পরিস্থিতি এখনো পুরোপুরি স্থিতিশীল নয়; মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন এলাকায় উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে।
সাম্প্রতিক জরিপে দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের অধিকাংশ মানুষ দ্রুত যুদ্ধ শেষ করার পক্ষে মত দিয়েছেন এবং অনেকেই সামরিক পদক্ষেপের বিরোধিতা করছেন।