বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে কূটনৈতিক ও অফিসিয়াল পাসপোর্টধারীদের জন্য ভিসা অব্যাহতি চুক্তি অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ। চুক্তিটি পাঁচ বছরের জন্য কার্যকর থাকবে। একই সঙ্গে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনা, রোহিঙ্গা ইস্যু এবং সরকারি সংস্কার কার্যক্রম নিয়েও ব্রিফিংয়ে তথ্য দেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
বাংলাদেশের কূটনৈতিক ও অফিসিয়াল পাসপোর্টধারীরা বিনা ভিসায় পাকিস্তান ভ্রমণ করতে পারবেন বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে অনুষ্ঠিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।
এর আগে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে পাকিস্তানের সঙ্গে এ বিষয়ে একটি পারস্পরিক ভিসা অব্যাহতি চুক্তির অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে তেজগাঁও কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
প্রেস সচিব জানান, চুক্তিটি পাঁচ বছরের জন্য কার্যকর হবে। এর আওতায় বাংলাদেশের কূটনৈতিক ও অফিসিয়াল পাসপোর্টধারীরা যেমন বিনা ভিসায় পাকিস্তান যেতে পারবেন, তেমনি পাকিস্তানের কূটনীতিকরাও একই সুবিধা ভোগ করবেন। বর্তমানে এ ধরনের চুক্তি বাংলাদেশের আরও ৩১টি দেশের সঙ্গে বিদ্যমান।
অর্থপাচার প্রসঙ্গে তিনি জানান, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে পাচার হওয়া প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা ফেরত আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকসহ বিভিন্ন দেশীয় সংস্থা ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান এ প্রক্রিয়ায় কাজ করছে। তবে টাকা ফেরত আনতে আরও কয়েক বছর সময় লাগবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
রোহিঙ্গা সংকট প্রসঙ্গে শফিকুল আলম জানান, আগামী ২৫ আগস্ট কক্সবাজারে রোহিঙ্গা নিয়ে অনুষ্ঠিতব্য আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশ নেবেন প্রধান উপদেষ্টা।
তিনি আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রতিটি মন্ত্রণালয় সংস্কারের উদ্যোগ স্ব-প্রণোদিতভাবে নিয়েছে। মন্ত্রণালয়গুলো সংস্কার কমিশনের ওপর নির্ভর না করে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।