শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি সতর্ক করেন, দেশের রাজনীতি যদি মারামারি ও হানাহানির মধ্যেই আটকে থাকে, তাহলে ছাত্র-জনতা পুনরায় রাস্তায় নামতে বাধ্য হবে।
সাদিক কায়েম বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় তিনজন নিহত হয়েছেন এবং শতাধিক হামলার ঘটনা ঘটেছে। তিনি উল্লেখ করেন, জুলাইয়ের আন্দোলন ছিল ফ্যাসিবাদী কাঠামো ভাঙার আন্দোলন। কিন্তু দুঃখের বিষয়, সেই একই সহিংস রাজনীতি এখনও চলছে। নতুন দায়িত্বপ্রাপ্তদের অবশ্যই জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে, নাহলে রাজপথে আন্দোলনের পথ খোলা থাকবে। তিনি বলেন, “জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে খেলা করার চেষ্টা কেউ করলে তা বরদাশত করা হবে না।”
জামায়াতে ইসলামীর আমিরের ধৈর্যের প্রশংসা করে তিনি বলেন, দেশের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির সুযোগ থাকা সত্ত্বেও আমির শান্ত থাকেন এবং আইনি প্রক্রিয়ার ওপর আস্থা রাখছেন, এমনকি কিছু এলাকায় ভোট পুনঃগণনার সময়ও।
শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে ডাকসু ভিপি বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে ঢাবি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা হয়েছে, যা জাতিকে হতাশ করেছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ক্ষমতা দেখিয়ে হল দখল বা হুমকির রাজনীতি চলবে না। যারা এই সহিংসতার সঙ্গে যুক্ত, তাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি কার্যকর করতে হবে এবং দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।
শেষে তিনি সব রাজনৈতিক দলকে আহ্বান জানান, হুমকির রাজনীতি বন্ধ করতে এবং একটি নতুন ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গঠনে সরকার ও বিরোধী দল দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নিতে হবে।