গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৯টি আসনে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়। ওই নির্বাচনে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান দুটি আসনে জয়ী হন।পরবর্তীতে বগুড়া-৬ আসনটি তিনি ছেড়ে দিলে সেখানে উপনির্বাচনের আয়োজন করা হয়।
অন্যদিকে, তফসিল ঘোষণার পর এক প্রার্থীর মৃত্যু হওয়ায় শেরপুর-৩ আসনের ভোট স্থগিত ছিল। এখন সেখানে পুনরায় সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আগের নির্বাচনের ফলাফলে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে রায় আসায় এ আসনে আলাদা করে গণভোটের প্রয়োজন হয়নি।
বগুড়া-৬ আসনে মোট তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন বিএনপির মো. রেজাউল করিম বাদশা, জামায়াতে ইসলামীর মো. আবিদুর রহমান এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি)-এর মো. আল-আমিন তালুকদার।
এই আসনে মোট ১৫০টি ভোটকেন্দ্র এবং ৮৩৫টি ভোটকক্ষ রয়েছে। ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৫০ হাজার ৩০৯ জন।
শেরপুর-৩ আসনেও তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন বিএনপির মো. মাহমুদুল হক রুবেল, জামায়াতে ইসলামীর মো. মাসুদুর রহমান মাসুদ এবং বাসদ (মার্কসবাদী)-এর মো. মিজানুর রহমান।
এ আসনে ১২৮টি ভোটকেন্দ্র এবং ৭৫১টি ভোটকক্ষ রয়েছে। মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৯ হাজার ৮০৬ জন।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সাধারণ ও গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনায় ১৮ থেকে ২০ জন নিরাপত্তা সদস্য মোতায়েন রয়েছে।পাশাপাশি মাঠ পর্যায়ে ৩৬ জন নির্বাহী ও বিচারিক হাকিম দায়িত্ব পালন করছেন।
দুই আসনেই ডাকযোগে ভোট (পোস্টাল ব্যালট) ব্যবস্থা রয়েছে। নির্বাচন পরিচালনায় ইসির নিজস্ব কর্মকর্তারা রিটার্নিং ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্বে আছেন। এছাড়া প্রিজাইডিং, সহকারী প্রিজাইডিং ও পোলিং অফিসার মিলিয়ে প্রায় ৫ হাজার নির্বাচন কর্মকর্তা ভোটগ্রহণ কার্যক্রমে নিয়োজিত রয়েছেন।
এছাড়া নির্বাচন পর্যবেক্ষণে ইসির ১৮ জন পর্যবেক্ষকের পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে চার শতাধিক পর্যবেক্ষক মাঠে রয়েছেন।