রবিবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি জানান, শূন্য পদ দ্রুত পূরণ, পাবলিক সার্ভিস কমিশনকে আরও শক্তিশালী করা এবং প্রশাসনিক কাঠামো আধুনিকায়নের কাজ চলছে। মাঠ প্রশাসনকে আরও গতিশীল করতে নীতিমালা সহজীকরণ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের গতি বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।
তিনি বলেন, প্রশাসনের প্রতিটি পদই গুরুত্বপূর্ণ। কর্মকর্তাদের যেকোনো স্থানে দায়িত্ব পালনের মানসিকতা থাকতে হবে। শুধু পছন্দের জায়গায় কাজ করার প্রবণতা পেশাদারিত্বকে ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং দীর্ঘমেয়াদে দুর্নীতি ও অদক্ষতা বাড়ায়।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, জেলা প্রশাসকরাই মাঠপর্যায়ে সরকারের প্রধান প্রতিনিধি। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, বাজার ব্যবস্থাপনা, কৃষকের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা, স্থানীয় কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সেবা খাতে স্বচ্ছতা বজায় রাখার দায়িত্ব তাদের ওপরই বেশি নির্ভরশীল। একই সঙ্গে মাদক নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়ন, নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার ক্ষেত্রেও কঠোর ভূমিকা রাখতে হবে।
তিনি সরকারি দপ্তরে সেবাগ্রহীতাদের হয়রানি, বিলম্ব ও অনিয়ম সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করার নির্দেশ দেন এবং জনগণের যেকোনো অভিযোগ দ্রুত সমাধানের ওপর জোর দেন।
শেষে তিনি বলেন, মতভেদ থাকলেও দেশের স্বার্থে জাতীয় ঐক্যই সবচেয়ে বড় শক্তি।