ভিডিওতে দেখা যায়, প্রথমে তিনি নিজের পরিচয় গোপন রেখে ‘সোহান’ নামে পরিচয় দেন এবং সঙ্গে থাকা নারীকে স্ত্রী দাবি করেন। তবে উপস্থিতদের প্রশ্নের মুখে তার বক্তব্য নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়। পরে বিভিন্ন তথ্য যাচাই করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা হিসেবে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার দাবি করা হয়।
অভিযোগের বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে রাজিব ফারহান তা অস্বীকার করেন। তার দাবি, সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি তার নয় এবং এটি অন্য কারও হতে পারে।
পুলিশ সূত্র জানায়, ২৮তম বিসিএসের মাধ্যমে তিনি পুলিশে যোগ দেন এবং সাম্প্রতিক প্রশাসনিক পরিবর্তনের ধারায় বিভিন্ন ইউনিটে দায়িত্ব পালন শেষে বর্তমানে পিবিআইতে কর্মরত আছেন।
ঘটনার দিন রাতে একটি সাদা প্রাইভেটকারে তাকে ও ওই নারীকে স্থানীয়দের হাতে আটক করা হয় বলে জানা গেছে। গাড়িটির নিবন্ধন পিবিআইয়ের নামে হওয়ায় বিষয়টি আরও আলোচনায় আসে। সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, পিবিআই কর্মকর্তাদের জন্য নির্দিষ্টভাবে গাড়ি বরাদ্দ থাকলেও সেগুলো ব্যক্তিগত নামে নিবন্ধিত থাকে না।
ভিডিওতে আরও দেখা যায়, জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে তিনি নিজেকে পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে স্বীকার করেন এবং পুলিশ সদর দপ্তরে কর্মরত থাকার কথা উল্লেখ করেন। ঘটনাটি ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা চলছে।