হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, পেশায় ব্যবসায়ী গিয়াসউদ্দিনের বার্ষিক আয় ২৪ লাখ ৪৪ হাজার টাকা। বর্তমানে তার কাছে নগদ রয়েছে ৫১ লাখ ২৩ হাজার ৩২১ টাকা। তার নিজের নামে কোনো গাড়ি না থাকলেও এবং ব্যাংক ঋণের বোঝা না থাকলেও, তার ব্যক্তিগত সম্পদের মোট মূল্য ১৭ কোটি ৪ লাখ ১২ হাজার ২২ টাকা। এছাড়া তার বিরুদ্ধে বর্তমানে ৬৯টি মামলা চলমান রয়েছে।
সম্পদ বিবরণীতে দেখা যায়, গিয়াসউদ্দিনের নিজের নামে ২০ ভরি এবং স্ত্রীর নামে ২৫ ভরি স্বর্ণ রয়েছে। নিরাপত্তার জন্য তিনি ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা মূল্যের একটি পিস্তল নিজের নামে রেখেছেন। স্থাবর সম্পদের মধ্যে তার ৪৩০.৫০ শতাংশ এবং স্ত্রীর ১১.২৫ শতাংশ অকৃষি জমি রয়েছে। এছাড়া তিনি একটি বাড়ি, দুটি মার্কেট এবং বেশ কিছু দোকানের মালিক।
গিয়াসউদ্দিনের পরিবারের অন্য সদস্যদের নামেও রয়েছে বিপুল সম্পদ। তার স্ত্রীর নামে ১ কোটি ৪০ লাখ ১৫ হাজার ১৩৩ টাকার সম্পদ রয়েছে। এছাড়া তার চার ছেলের মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে বড় ছেলে ফয়সালের ৫ কোটি ১৬ লাখ, সাদরিলের ৩ কোটি ৯২ লাখ, কায়সারের ৩ কোটি ৯৭ লাখ এবং ছোট ছেলে সানভীরের নামে ১ কোটি ৫৩ লাখ টাকার সম্পদ দেখানো হয়েছে।
বিপুল পরিমাণ এই সম্পদের হিসাব এবং দীর্ঘ মামলার তালিকা এখন স্থানীয় নির্বাচনী এলাকায় আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রার্থীর দেওয়া এসব তথ্য যাচাই-বাছাই শেষে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন।