আজ বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে ইসিসহ রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপে অংশ নিয়ে এনসিপি নেতারা এই সুপারিশ করেন।
এ প্রসঙ্গে এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব জহিরুল ইসলাম মূসা বলেন, “প্রার্থীরা শুধুমাত্র দলের বর্তমান প্রধানের ছবি ব্যবহার করতে পারবেন। বিএনপির প্রার্থী যদি তারেক রহমান বা শহীদ জিয়াউর রহমানের ছবি প্রচারণায় ব্যবহার করেন, তাহলে আচরণবিধি প্রয়োগ করে কমিশনকে সক্ষমতা প্রদর্শন করতে হবে।” তিনি বলেন, এটি ইসির জন্য একটি পরীক্ষা—দেখা যাবে তারা কতটা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
সংলাপে মূসা আরও বলেন, দেশের নির্বাচনী সংস্কৃতি এবং উৎসবের সঙ্গে আচরণবিধির বর্তমান বিধান সম্পূর্ণভাবে সংগত নয়। তিনি বলেন, “নির্বাচনী আমেজ মানে পোস্টারিং, মাইকিং, জনসভা—কিন্তু যে বিধান প্রণয়ন করা হয়েছে তা বাস্তবায়নের উপযোগী নয়। যদি এটি নির্দিষ্ট কারো বিরুদ্ধে প্রয়োগ করা হয়, তবে তা নিপীড়নমূলক হতে পারে।”
এনসিপি নেতা জানান, আচরণবিধি লঙ্ঘনের শাস্তি কার্যকর করা, তদন্ত পরিচালনা এবং প্রশাসনিক সক্ষমতা সীমিত। তিনি বলেন, “কমিশনের প্রার্থিতা বাতিল করার ক্ষমতা থাকলেও, কতদিনের মধ্যে বা কীভাবে তা হবে, তা স্পষ্ট নয়। কর্মকর্তারা যদি নিরপেক্ষ না থাকেন, তাতে কোনো প্রতিকার নেই।”
জহিরুল ইসলাম মূসা বিদ্যমান আচরণবিধিকে ‘অবাস্তব’ ও দেশের নির্বাচনী ঐতিহ্যের পরিপন্থী বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “বিধি পরিবেশবান্ধব হতে পারে, কিন্তু প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রার্থীরা অল্প সময়ে প্রচারণা চালাতে পারবে না।”
উল্লেখ্য, নির্বাচনী আচরণবিধির ৭-এর (চ) দফায় বলা হয়েছে, দলীয় প্রার্থী শুধুমাত্র বর্তমান দলীয় প্রধানের ছবি ব্যানার, লিফলেট, হ্যান্ডবিল ও ফেস্টুনে ব্যবহার করতে পারবেন। প্রচারণার ছবি সাধারণ ও নির্ধারিত মাপের হতে হবে (৬০ থেকে ৪৫ সেন্টিমিটার)।