বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এই ঘটনায় গভীর ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
তিনি বলেন,“শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদির খুনিদের গ্রেপ্তার করতে না পারার খেসারত দিতে হলো নিরীহ সিয়ামকে। একটি দুষ্টচক্র দেশকে অস্থিতিশীল করতে চোরাগোপ্তা হামলা চালাচ্ছে।”
ফেসবুক পোস্টে জামায়াত আমির আরও লেখেন,
“নিহত সিয়ামের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। আল্লাহ তায়ালা তাকে ক্ষমা করুন, তার ওপর রহম করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারকে উত্তম ধৈর্যধারণের তাওফিক দান করুন।”
একই পোস্টে তিনি প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলে বলেন,“প্রশাসনকে অবশ্যই তার দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করতে হবে। একই সঙ্গে জনগণকেও এসব নাশকতার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।”
এর আগে বুধবার রাতে মগবাজারের মুক্তিযোদ্ধা গলির সামনে ফ্লাইওভারের ওপর থেকে একটি ককটেল বোমা নিক্ষেপ করা হয়। বোমাটি নিচে হাঁটতে থাকা সিয়ামের মাথায় আঘাত করলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
হাতিরঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. গোলাম মুর্তজা জানান, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে এলাকা ঘিরে রাখে। পরে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট আলামত সংগ্রহ করে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হঠাৎ ওপর থেকে ছোড়া বিস্ফোরকটি সরাসরি সিয়ামের মাথায় আঘাত হানে। নিহত সিয়ামের বাবা জানান, তার ছেলে একটি মোটর পার্টসের দোকানে কাজ করত এবং কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথেই এই নাশকতার শিকার হয়।
রমনা বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার মো. মাসুদ আলম বলেন, এটি একটি পরিকল্পিত হামলা বলে ধারণা করা হচ্ছে। কারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তা শনাক্তে তদন্ত চলছে।