রোববার (২৬ এপ্রিল) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী জানান, দেশে বেকারত্ব কমাতে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কার্যকারিতা প্রত্যাশিত পর্যায়ে নেই। শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, সবার চিন্তা ও পরিকল্পনাকে একসঙ্গে কাজে লাগাতে হবে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে এইচএসসি পরীক্ষা, ফল প্রকাশ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি—এই পুরো প্রক্রিয়ায় দীর্ঘ সময় লেগে যাচ্ছে, যা শিক্ষার্থীদের জীবন থেকে মূল্যবান সময় কেড়ে নিচ্ছে। এ বিষয়ে সমন্বয় আনতে ইউজিসির প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে যাওয়া শিক্ষার্থীদের প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, তারা দেশের জন্য কতটা অবদান রাখছে বা ফিরে আসছে কি না—এ বিষয়ে নির্ভরযোগ্য তথ্য প্রয়োজন। পাশাপাশি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর দিকনির্দেশনাও স্পষ্ট নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তরুণদের আচরণ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, অনেক শিক্ষার্থী এখন নৈতিকতার সীমা অতিক্রম করছে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার প্রবণতা বাড়ছে। এমনকি শিক্ষকদের প্রতিও অসম্মানজনক আচরণ দেখা যাচ্ছে।
শেষে তিনি বলেন, দেশের তরুণ প্রজন্মকে সঠিক পথে পরিচালিত করা এখন বড় চ্যালেঞ্জ। জনমিতিক সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতের শক্তিতে রূপ দিতে হলে এ বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে।