ঘোষিত ফলাফলে সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে বিজয়ী হয়েছেন বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী ইয়াছিন আল মৃদুল দেওয়ান। সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে নির্বাচিত হয়েছেন ভেটেরিনারি অ্যান্ড এনিমেল সায়েন্সেস বিভাগের শিক্ষার্থী মো. রায়হান খান। সহকারী সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে জয় পেয়েছেন সামিউল হাসান শোভন।
এবারের নির্বাচনে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ ছিল উল্লেখযোগ্য। প্রায় ৭৫ শতাংশ ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। মোট ভোটার ছিলেন ৪ হাজার ৭৬১ জন। সকাল ৯টা থেকে দুপুর ৩টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ভোট গণনার প্রক্রিয়া স্বচ্ছভাবে প্রদর্শনের জন্য ক্যাম্পাসে এলইডি স্ক্রিনে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়। তবে নির্বাচনী স্বচ্ছতা নিয়ে কিছু প্রার্থী আপত্তি জানান।
অন্য বিজয়ীদের মধ্যে রয়েছেন কোষাধ্যক্ষ পদে খন্দকার আব্দুর রহিম, ক্রীড়া সম্পাদক পদে ফয়সাল আহমেদ এবং সহ-ক্রীড়া সম্পাদক পদে আব্দুল্লাহ আল নোমান। সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন মো. মারুফ এবং সহ-সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক হয়েছেন লীশা চাকমা। এছাড়া দপ্তর সম্পাদক হয়েছেন শারমিন আক্তার, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হয়েছেন মো. জান্নাতুল ফেরদৌস এবং সমাজকল্যাণ ও ক্যান্টিন সম্পাদক হয়েছেন মো. মনোয়ার হোসেন অন্তর।
অনুষদভিত্তিক প্রতিনিধিদের মধ্যে কৃষি অনুষদে বিজয়ী হয়েছেন মহিউল আলম দোলন। ভেটেরিনারি অ্যান্ড এনিমেল সায়েন্সেস অনুষদে জয় পেয়েছেন মো. হুমায়ুন কবির। কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন শাকিল আহমেদ, মো. সেলিম আহমেদ অলি, মো. মেহেদি হাসান ও মিনতুজ আক্তার মিম। বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদে নির্বাচিত হয়েছেন মেহেরুন খিলজি মিতু ও মো. ইমদাদুল হক মিলন। স্বাস্থ্য বিজ্ঞান অনুষদে বিজয়ী হয়েছেন নাশরুন সেঁজুতি অরণি ও পার্থ সরকার।
প্রসঙ্গত, দেশের একমাত্র বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ বিদ্যমান। ২০১৩ সালে প্রথমবার গকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সর্বশেষ ২০১৮ সালে তৃতীয় সংসদ নির্বাচিত হলেও প্রশাসনিক জটিলতায় তা পূর্ণ মেয়াদে কাজ করতে পারেনি। পরবর্তীতে ২০২০ সালের ডিসেম্বরে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সংসদ বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। দীর্ঘ পাঁচ বছর স্থবিরতার পর এবার অনুষ্ঠিত হলো বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ ছাত্র সংসদ নির্বাচন।