প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রায় দুই বছর আগে শুরু হওয়া আলোচনা গত জুনে ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে টানা ১২ দিনের সংঘাতের পর দ্রুত অগ্রসর হয়। প্রায় ২৯০ কিলোমিটার পাল্লার এই ক্ষেপণাস্ত্র সমুদ্রপৃষ্ঠের খুব কাছ দিয়ে উচ্চগতিতে উড়তে সক্ষম, ফলে শত্রুপক্ষের জাহাজের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এড়িয়ে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি করে।
সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের অস্ত্র হাতে এলে ইরানের নৌ-আক্রমণ সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। একই সঙ্গে এ অঞ্চলে অবস্থানরত মার্কিন নৌবাহিনীর জন্য তা বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে।
তবে সম্ভাব্য চুক্তিতে কতটি ক্ষেপণাস্ত্র থাকবে বা আর্থিক লেনদেনের পরিমাণ কত—এসব বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে চীন শেষ পর্যন্ত চুক্তি কার্যকর করবে কি না, সেটিও স্পষ্ট নয়।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে তেহরানের বিদ্যমান সামরিক ও নিরাপত্তা সমঝোতাগুলো বাস্তবায়নের এখনই উপযুক্ত সময়।
অন্যদিকে, চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্ভাব্য এই বিক্রির বিষয়ে অবগত নয় বলে জানিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউস আনুষ্ঠানিকভাবে মন্তব্য না করলেও এক কর্মকর্তা বলেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান ইস্যুতে চলমান আলোচনা প্রসঙ্গে সমঝোতা না হলে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার সতর্কবার্তা দিয়েছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, চুক্তিটি বাস্তবায়িত হলে মধ্যপ্রাচ্যের সামরিক ভারসাম্যে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে। এখন দেখার বিষয়, বর্তমান উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে বিষয়টি কোন দিকে গড়ায়।