সামুদ্রিক মাছের যোগান কমে চাষের মাছের দাম বেড়েছে কেজিতে ৫০–১০০ টাকা। সবজির দাম কিছুটা কমলেও পুরো স্বস্তি ফেরেনি বাজারে।
রাজধানীর বাজারে সপ্তাহজুড়ে মাছের দামে অস্বস্তি বেড়েছে। সাগর ও নদীতে ২৬ অক্টোবর পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞায় সামুদ্রিক মাছের সরবরাহ প্রায় বন্ধ। ফলে বিল ও চাষের মাছের ওপরই ভরসা রাখতে হচ্ছে ক্রেতাদের।
বিক্রেতারা জানান, রুই ও কাতলার কেজি ৪০০–৪৫০ টাকা, চিংড়ি ১,০০০–১,২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ক্রেতারা বলছেন, এই দামে নিয়মিত মাছ খাওয়া কঠিন। বিক্রেতাদের দাবি, যোগান কমে যাওয়া ও পরিবহন খরচ বাড়ায় দামে প্রভাব পড়েছে।
মাংসের বাজার তুলনামূলক স্থিতিশীল—গরুর মাংস ৭৫০, খাসির ১,১০০, ব্রয়লার মুরগি ১৮০ এবং সোনালি কক ৩০০–৩৫০ টাকা কেজি। ডিম ডজনপ্রতি ১৩৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
চালের বাজারেও স্থিতিশীলতা রয়েছে। মিনিকেট চাল ৭৮–৮০ টাকা, পোলাও চাল ১২০ টাকা, দেশি মসুর ১৫০, মুগ ১৬০, খেসারি ১০০ ও বুটের ডাল ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
সবজির দামে কিছুটা স্বস্তি মিলেছে। কাঁচামরিচের দাম ২০০ টাকায় নেমেছে, বেগুন ১৮০, আর করলা, পটল, ঢেঁড়সসহ বেশ কিছু সবজি কেজিপ্রতি ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আগাম ফুলকপি ও বাঁধাকপিও একই দরে পাওয়া যাচ্ছে।
মসলার বাজারে দামের তারতম্য অব্যাহত। কিসমিস ৮০০, এলাচ ৪,৮০০–৫,২০০, জিরা ৭০০ এবং গোলমরিচ ১,৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পেঁয়াজ ৮০ টাকায় স্থিতিশীল থাকলেও রসুন বেড়ে ১৮০ এবং আদা ২২০ টাকায় উঠেছে।
সামগ্রিকভাবে, সবজির দামে খানিকটা স্বস্তি এলেও মাছ ও মসলা বাজারে ভোক্তাদের কষ্ট কমেনি।