নির্বাচন কমিশন বলছে, ২০০৭-০৮ সালে প্রথম এনআইডি কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেছে। এ সময়ে অনেক নাগরিকের চেহারা, শিক্ষাগত যোগ্যতা, ব্যক্তিগত তথ্য এমনকি বায়োমেট্রিক তথ্যেও পরিবর্তন এসেছে। ফলে পরিচয় যাচাইয়ে জটিলতা এড়াতে নির্দিষ্ট সময় পরপর তথ্য হালনাগাদ প্রয়োজন বলে মনে করছে কমিশন।
বর্তমান আইন অনুযায়ী, একটি জাতীয় পরিচয়পত্র ইস্যুর তারিখ থেকে ১৫ বছর পর্যন্ত বৈধ। মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে বা পরে নির্ধারিত নিয়মে আবেদন করে তা নবায়নের সুযোগ রয়েছে। তবে এবার সেই নবায়ন বাধ্যতামূলক করার বিষয়টি সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করছে ইসি।
এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেন, আইনে এনআইডি নবায়নের বিধান রয়েছে। বিষয়টিকে কীভাবে আরও কার্যকর করা যায়, তা নিয়ে কমিশনের মধ্যে আলোচনা চলছে। প্রয়োজনে এটি বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তিনি জানান, নতুন সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সাধারণ নাগরিক যাতে কোনো ধরনের ভোগান্তিতে না পড়েন, সে বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে।
এদিকে এনআইডিতে তথ্য সংশোধনের ক্ষেত্রে আরও সতর্ক যাচাই-বাছাইয়ের কথা জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। বিশেষ করে নামসহ মৌলিক তথ্য পরিবর্তনের আবেদন হলে প্রয়োজনীয় প্রমাণ যাচাইয়ের পরই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
পাশাপাশি বিয়ের তথ্য গোপন রাখার সুযোগ বন্ধে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে ইসি। এ লক্ষ্যে কাবিননামা ও তালাকনামার তথ্য অনলাইনে স্বয়ংক্রিয়ভাবে যাচাইয়ের ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা করা হচ্ছে।