বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাজশাহীর একটি আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলায় আরও ১৭-১৮ জন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।
অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন রাকসুর তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক নাজমুস সাকিব, রাবি শাখা ছাত্রশিবিরের প্রচার সম্পাদক মেহেদী সজিব, সিনেট সদস্য ফাহিম রেজা, আরিফুর ইসলাম, আহসান উল্লাহ ফাইহান, সিফাত আর সালেহ ও নুরুল ইসলাম শহীদ।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ২৭ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের ভেতরে ও বাইরে মাহমুদুলকে ধাওয়া করে লোহার রড, ছুরি, বেল্ট ও বাঁশের লাঠি দিয়ে মারধর করা হয়। এতে তার মাথা ও বাম চোখে গুরুতর আঘাত লাগে। অভিযোগে আরও বলা হয়, একপর্যায়ে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যারও চেষ্টা করা হয়।
এছাড়া হাসপাতালে নেওয়ার সময় অ্যাম্বুলেন্স থেকে নামিয়ে আবারও মারধরের অভিযোগ করা হয়েছে। পরে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
মাহমুদুলের বাবা অভিযোগ করেন, ২৮ জুলাই মতিহার থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ মামলা নেয়নি। পরে আদালতে মামলা করলে বিচারক অভিযোগটি তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)-এর কাছে পাঠান।
তবে আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট হযরত আলী দাবি করেছেন, আবেগের বশে এ মামলা করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ২৭ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে দুই পক্ষের সংঘর্ষের জেরে এ সহিংসতার ঘটনা ঘটে।