বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বিকেলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে আইনের খসড়াটি প্রকাশ করা হয়।
খসড়ায় বলা হয়েছে, দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করা এবং সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে দ্য আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নস অর্ডিন্যান্স, ১৯৭৯-এর আওতায় গঠিত র্যাব বিলুপ্ত করে বাংলাদেশ পুলিশের অধীনে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) নামে একটি বিশেষায়িত ইউনিট গঠন করা হবে। নতুন আইনে বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ, পরিচালনা, শৃঙ্খলা ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
প্রস্তাবিত আইনে এসআরবির জন্য পৃথক লোগো, পতাকা ও নির্ধারিত পোশাকের বিধান রাখা হয়েছে। বাহিনীটির প্রধান থাকবেন অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত আইজিপি) পদমর্যাদার একজন মহাপরিচালক। প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যাটালিয়ন, কোম্পানি, প্লাটুন ও সেকশন গঠন করা যাবে। এর সদর দপ্তর ঢাকায় থাকলেও দেশের যেকোনো স্থানে ইউনিট স্থাপনের সুযোগ থাকবে।
খসড়া অনুযায়ী, শুধু পুলিশ সদস্য নয়, অন্যান্য শৃঙ্খলা বাহিনী থেকেও প্রেষণে সদস্য নিয়ে এই ইউনিট গঠন করা যাবে। প্রেষণে নিয়োগের মেয়াদ ন্যূনতম দুই বছর রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, জনমত সংগ্রহ শেষে প্রয়োজনীয় সংশোধন এনে আইনের খসড়া চূড়ান্ত করা হবে। এরপর এটি মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হবে। মন্ত্রিসভার অনুমোদন পেলে বিলটি সংসদে উত্থাপন করা হতে পারে।
উল্লেখ্য, শীর্ষ সন্ত্রাসী ও জঙ্গিবাদ দমনের উদ্দেশ্যে ২০০৪ সালে পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট হিসেবে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) গঠন করা হয়েছিল।