শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে লাল–সবুজে সাজানো একটি বাসে করে রাজধানীর পূর্বাচলের গণসংবর্ধনাস্থলে পৌঁছান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
সেখানে পৌঁছে মঞ্চে উঠে তিনি দুহাত তুলে নেতা–কর্মী ও সমর্থকদের শুভেচ্ছা জানান। অনুষ্ঠানে তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানান বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শুরুতেই তারেক রহমান বলেন, “প্রিয় বাংলাদেশ।” এরপর তিনি বলেন, “৭১ এ দেশের মানুষ যেমন স্বাধীনতা অর্জন করেছিল, ২০২৪ সালে তেমন সর্বস্তরের মানুষ সবাই মিলে এ দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে রক্ষা করেছিল।”
তিনি আরও বলেন, “আজ বাংলাদেশের মানুষ কথা বলার অধিকার ফিরে পেতে চায়। তারা তাদের গণতন্ত্রের অধিকার ফিরে পেতে চায়।”
দেশ গড়ার লক্ষ্যে তারেক রহমান বলেন,
“আমাদের সময় এসেছে সকলে মিলে দেশ গড়ার।”
তিনি উল্লেখ করেন, “এ দেশে পাহাড়ের, সমতলের, মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সবাই আছে। আমরা নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই।”
এ প্রসঙ্গে তিনি জোর দিয়ে বলেন, “যে বাংলাদেশে একজন নারী, পুরুষ, শিশু—যেই হোক না কেন—নিরাপদে ঘর থেকে বের হলে যেন নিরাপদে ফিরতে পারে।”
সাম্প্রতিক ঘটে যাওয়া ঘটনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “কয়েকদিন আগে ওসমান শহীদ হয়েছে।ওসমান হাদি চেয়েছিলেন এ দেশের মানুষ অর্থনৈতিক অধিকার ফিরে পাক।”
তিনি আরও বলেন, “৭১ এ যারা শহীদ হয়েছে, ২৪ এ যারা শহীদ হয়েছে তাদের রক্তের ঋণ শোধ করতে হলে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।”
তরুণদেরকে তিনি বলেন, “তরুণ প্রজন্মই আগামীতে দেশ গড়ে তুলবে। গণতান্ত্রিক ও অর্থনৈতিক ভিত মজবুত করার ওপর জোর দিয়ে তিনি পরপর তিনবার বলেন, “আমরা দেশের শান্তি চাই। মার্টিন লুথার কিংয়ের ঐতিহাসিক উক্তি স্মরণ করে তারেক রহমান বলেন, “আই হ্যাভ অ্যা ড্রিম নয়—আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান।”
এ প্রসঙ্গে তিনি জানান, “দেশকে গড়ে তুলতে পরিকল্পনা রয়েছে। প্রত্যেক মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন। তাহলেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা সম্ভব।”
বক্তব্যের শেষ তিনি বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সুস্থতার জন্য সবার কাছে দোয়া চান। সমাবেশ শেষ করেন এই আহ্বান জানিয়ে
“সবাই মিলে করব কাজ, গড়বো মোদের বাংলাদেশ।”