আলোচনাটি কোন কাঠামোতে পরিচালিত হচ্ছে, সে বিষয়ে এখনো স্পষ্ট কিছু জানা যায়নি। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর মতে, শুরুতে পাকিস্তানি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে দুই পক্ষের মধ্যে বার্তা বিনিময় হবে। প্রাথমিক অগ্রগতি সন্তোষজনক হলে পরবর্তী ধাপে সরাসরি বৈঠকের সম্ভাবনাও রয়েছে।
যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি, সরকারি মহল বলছে—ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের সরাসরি আলোচনায় বসাতে পাকিস্তান সক্রিয়ভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
প্রসঙ্গত, ৮ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ও ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের সঙ্গে আলোচনার পর ইরানের ওপর সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপ দুই সপ্তাহের জন্য স্থগিত রাখা হয়েছে।
এর পরিপ্রেক্ষিতে শাহবাজ শরিফ এক বার্তায় জানান, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে—যা তিনি ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে উল্লেখ করেন।
অন্যদিকে, আলোচনার জন্য ইরান ১০ দফা প্রস্তাব দিয়েছে। এসব শর্তে সম্মতি মিললে সরাসরি আলোচনায় বসতে আগ্রহ প্রকাশ করে তেহরান।
যদিও অতীতে চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগে দুই পক্ষ একে অপরকে দোষারোপ করেছে, তবুও বর্তমান আলোচনাকে ঘিরে শীর্ষ পর্যায়ে আশাবাদ দেখা যাচ্ছে। তবে শর্ত পূরণ না হলে কঠোর অবস্থানে যাওয়ার ইঙ্গিতও দিয়েছে উভয় পক্ষ।