মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, তুর্কি বিশেষজ্ঞরা অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত উৎস ও ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা নির্ধারণে আধুনিক প্রযুক্তি ও অভিজ্ঞতা ব্যবহার করবেন। তারা বাংলাদেশের তদন্ত কমিটির সঙ্গে সমন্বয়ে কাজ করবে এবং নিরাপত্তা অবকাঠামো আরও উন্নত করার বিষয়ে প্রস্তাব দেবে।
উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, “তুরস্কের এই সহযোগিতা শুধু একটি তদন্ত নয়, বরং দুই দেশের আস্থা ও বন্ধুত্বের প্রতিফলন। তাদের অভিজ্ঞতা থেকে আমরা বিমান নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নতুন দিক নির্দেশনা পাব।” তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে ভবিষ্যতে বিমানবন্দর এলাকায় যেকোনো দুর্ঘটনা প্রতিরোধে আরও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে।
তুর্কি প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন ফার্স্ট ডিগ্রি চিফ সুপারিনটেনডেন্ট ওইকুন ইলগুন। বৈঠকে তুরস্কের বাংলাদেশে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত রামিস সেনসহ সচিব নাসরিন জাহান, অতিরিক্ত সচিব ড. হুমায়রা সুলতানা এবং বেসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
গত ১৮ অক্টোবর শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হলেও প্রাণহানির কোনো খবর পাওয়া যায়নি। ফায়ার সার্ভিস, বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ এবং সশস্ত্র বাহিনীর সমন্বিত প্রচেষ্টায় দ্রুত সময়ের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। পরবর্তীতে সরকার একটি উচ্চ-স্তরের তদন্ত কমিটি গঠন করে, যারা অগ্নিকাণ্ডের কারণ, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এবং ভবিষ্যতে নিরাপত্তা জোরদারের বিষয়ে সুপারিশ প্রণয়ন করছে।
বিমানবন্দর সূত্র জানায়, তুর্কি বিশেষজ্ঞ দলের আগমন তদন্ত প্রক্রিয়াকে আরও গতি দেবে এবং আন্তর্জাতিক মানে নিরাপত্তা অবকাঠামো মূল্যায়নে নতুন মাত্রা যোগ করবে।