স্থানীয়রা জানান, মিছিলে বক্তব্যের সময় নেতাকর্মীরা মাওলানার বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। অভিযোগ করা হয়, তিনি আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠ মহলের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। উত্তেজনার কারণে কিছু নেতাকর্মী ‘দল বিক্রি চলবে না’, ‘আওয়ামী দোসর প্রার্থী মানি না’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকেন। মুহূর্তেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, মাওলানার সঙ্গে আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান তপন বকশীর বৈঠকের ছবি ভাইরাল হওয়ায় দলের একাংশে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, জেলা আমির অধ্যক্ষ আব্দুল মতিন ও জেলা সেক্রেটারি সাইফুল ইসলাম শহীদ অর্থনৈতিক সুবিধা দিয়ে তাকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছেন।
চান্দিনা উপজেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি সাজিদ আল আমিন সোহাগ বলেন, “মোশাররফ প্রার্থী হওয়ার আগে আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি ও সাবেক চেয়ারম্যানের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেছেন। এজন্য তাকে ‘আওয়ামী লীগের দোসর’ হিসেবে দেখা হচ্ছে।”
মাওলানা মোশাররফ হোসেন দাবি করেন, “দল এখন দুই ভাগে বিভক্ত। আমি কোনো রাজনৈতিক আপস করিনি। যাদের পক্ষে মিছিল হচ্ছে, অন্য পক্ষ তার বিরুদ্ধে মাঠে আছে।”
জেলা আমির অধ্যক্ষ আব্দুল মতিন বলেন, “চান্দিনার ঘটনা দুঃখজনক। প্রার্থী মনোনীত হলে সবাই সন্তুষ্ট হবেন এমন নয়। মতবিরোধ থাকতেই পারে, তবে আমরা সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিতে উর্ধ্বতন মহলের সঙ্গে আলোচনা করছি। মাওলানার বৈঠক কোনো রাজনৈতিক আপস নয়।”
চান্দিনা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাবেদ উল ইসলাম জানান, “দুই পক্ষের নেতাকর্মীর মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”