দিবসটি উপলক্ষে সকাল থেকে বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনগুলো বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে। বেলা ১১টায় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে দলের কেন্দ্রীয় নেতারা এবং বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও জিয়ারতে অংশ নেবেন। পরে সেখানে জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের প্রতিটি থানা এলাকাসহ দেশের বিভিন্ন ইউনিটে অসচ্ছল ও দুস্থ মানুষের মাঝে কাপড়, চাল, ডাল ও অন্যান্য খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে। এছাড়া সারাদেশের জেলা, মহানগর ও সাংগঠনিক ইউনিটগুলোতে ভোর ৬টায় দলীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা এবং কালো পতাকা উত্তোলনের কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা সভা, মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের পাশাপাশি দরিদ্র মানুষের মাঝে খাদ্য ও বস্ত্র বিতরণের উদ্যোগও গ্রহণ করা হয়েছে।
এদিকে আগামী ৩১ মে রোববার দুপুর ২টায় রাজধানীর রমনায় ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি) মিলনায়তনে বিএনপির উদ্যোগে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।
মুক্তিযুদ্ধের সময় জিয়াউর রহমান জেড ফোর্সের অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং তিনি ছিলেন অন্যতম সেক্টর কমান্ডার। পরবর্তীতে তিনি বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেন, যা বর্তমানে দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দলে পরিণত হয়েছে।
বাংলাদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র চালুর কৃতিত্বও তার সঙ্গে যুক্ত করা হয়। এছাড়া দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক জোট সার্ক গঠনের ধারণার অন্যতম প্রবর্তক হিসেবেও তাকে উল্লেখ করা হয়। জাতীয়তাবাদভিত্তিক রাজনৈতিক দর্শনের মাধ্যমে তিনি দেশের রাজনীতিতে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব রেখে গেছেন।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে সরকার গঠন করে। দলটির চেয়ারম্যান ও শহীদ জিয়াউর রহমানের জ্যেষ্ঠ পুত্র তারেক রহমান বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
বিএনপি এ পর্যন্ত পাঁচবার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে বলে দলীয় সূত্রে উল্লেখ করা হয়। প্রতি বছরের মতো এবারও বিএনপি এবং এর বিভিন্ন অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের পাশাপাশি নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ দিনটি পালন করছে।
সূত্র: বাসস