হুতিদের দাবি, ইয়েমেনের রাজধানী সানার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সৌদি হামলার প্রতিক্রিয়ায় তারা এ পদক্ষেপ নিয়েছে। তাদের অভিযোগ, সানার বিমানবন্দরকে লক্ষ্য করেই ওই হামলা চালানো হয়েছিল।
তবে আবহা বিমানবন্দরে হামলার ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির তথ্য প্রকাশ করেনি সৌদি কর্তৃপক্ষ। বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দুই পক্ষের মধ্যে তুলনামূলক শান্ত পরিস্থিতির পর এটি নতুন করে সামরিক উত্তেজনার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
অন্যদিকে, ইয়েমেনের সরকারি সূত্র জানিয়েছে, সানার বিমানবন্দরে পরিচালিত অভিযানের লক্ষ্য ছিল একটি ইরানি বিমানকে সেখানে অবতরণ থেকে বিরত রাখা। যদিও এ বিষয়ে সৌদি আরবের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
হুতিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহইয়া সারি এক ভিডিও বার্তায় আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থাগুলোকে সৌদি আকাশসীমা ব্যবহারে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, সানা বিমানবন্দরের ওপর আরোপিত সীমাবদ্ধতা প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে না।
এর আগে সানার বিমানবন্দরে হামলার পর প্রতিশোধ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল হুতি গোষ্ঠী। এ পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে জাতিসংঘও। সোমবার এ বিষয়ে জরুরি বৈঠক করে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ।
বৈঠকে জাতিসংঘের রাজনৈতিক বিষয়ক সহকারী মহাসচিব খালেদ খিয়ারি বলেন, ইয়েমেন এবং বৃহত্তর মধ্যপ্রাচ্য নতুন করে আরেকটি সংঘাতের বোঝা বহন করার অবস্থায় নেই। তিনি সব পক্ষকে সংযম প্রদর্শন এবং জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় আলোচনায় ফেরার আহ্বান জানান।
পর্যবেক্ষকদের মতে, পাল্টাপাল্টি এই সামরিক পদক্ষেপ অব্যাহত থাকলে অঞ্চলজুড়ে অস্থিতিশীলতা আরও বাড়তে পারে।