আলোচনাটির শিরোনাম ছিল “বাংলাদেশ হেলথকেয়ার প্রোসপেক্ট ইন সৌদি এরাবিয়ান এমপ্লয়মেন্ট মার্কেট”। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চেম্বারের সভাপতি আশরাফুন হক চৌধুরী, আর প্রধান অতিথি ছিলেন পররাষ্ট্র সচিব ড. নজরুল ইসলাম। তিনি বলেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে যে দলই সরকার গঠন করুক না কেন, সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের নীতি অব্যাহত থাকবে।
পররাষ্ট্র সচিব আরও জানান, প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসও সৌদি আরব সফর করবেন। এ সময় সৌদি আরবের উদ্যোক্তা ও স্বাস্থ্য খাতের বিশেষজ্ঞ ড. খালিদ মোঘাম আল হারবি প্রাথমিকভাবে ইউনিক গ্রুপের সাথে যৌথ উদ্যোগে সৌদি আরবের উপযোগী করে ১০০ জন নার্স নেওয়ার ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, “বাংলাদেশে বিপুল জনশক্তি রয়েছে। যদি সৌদির মান অনুযায়ী তাদের নার্সিং প্রশিক্ষণ দেওয়া যায়, তবে উভয় দেশের জন্যই অপার সম্ভাবনা তৈরি হবে।”
অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধিরা দক্ষ নার্স তৈরিতে সরকারের উদ্যোগের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। পাশাপাশি দুই দেশের বিনিয়োগ, শ্রমবাজার সম্প্রসারণ, জ্বালানি ও অবকাঠামো খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়।
কূটনৈতিক সূত্র জানায়, যুবরাজ মুহাম্মদ বিন সালমানের এ সফর বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হবে। শ্রমবাজার, বিনিয়োগ ও দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে নতুন সুযোগ সৃষ্টি ছাড়াও রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার হওয়ার প্রত্যাশা রয়েছে। সফরের নির্দিষ্ট তারিখ শিগগিরই ঘোষণা করা হবে এবং এটি আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের আগেই অনুষ্ঠিত হতে পারে।