শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ইরানের ওপর চাপ সৃষ্টি করেও কোনো সমাধান পাওয়া যাবে না। দেশটি কখনোই বাহ্যিক শক্তির কাছে নতি স্বীকার করবে না বলেও তিনি মন্তব্য করেন। একই সময় ওমান উপসাগরে নৌযান ঘিরে নতুন উত্তেজনার খবর আসে।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের দাবি, নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ইরানি বন্দরের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করা দুটি তেল ট্যাংকারকে তারা আটকে দিয়েছে এবং কার্যত অচল করে দিয়েছে। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, এ ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধে এখন পর্যন্ত ৭০টিরও বেশি ট্যাংকারকে বাধা দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড জানায়, তারা পাল্টা অভিযান চালিয়ে একটি তেলবাহী ট্যাংকার জব্দ করেছে, যেটি তাদের দাবি অনুযায়ী দেশের তেল রপ্তানিতে বাধা সৃষ্টি করছিল।
এদিকে দুই পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ তুলেছে। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, ইরান তাদের নৌযানের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন পাঠিয়েছে, আর ইরান বলছে মার্কিন বাহিনী তাদের একটি তেল ট্যাংকার ও একটি কার্গো জাহাজে হামলা চালিয়েছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, একটি জাহাজে আগুন ধরে যায় এবং বেশ কয়েকজন নাবিক আহত হন।
পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্য। তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের একাধিক ড্রোন ও নৌযান ধ্বংস করেছে এবং সতর্ক করে দেন, দ্রুত কোনো সমঝোতা না হলে সামরিক চাপ আরও বাড়ানো হতে পারে।