প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তালিকায় কুয়েতের শেখ জাবের আল-আহমদ আল-সাবাহ সি ব্রিজ, সংযুক্ত আরব আমিরাতের শেখ জায়েদ, আল মাকতা ও শেখ খলিফা ব্রিজ, সৌদি আরব-বাহরাইন সংযোগকারী কিং ফাহাদ কজওয়ে এবং জর্ডানের কিং হুসেইন, দামিয়া ও আবদুন সেতু রয়েছে। ইঙ্গিত অনুযায়ী, এসব অবকাঠামো ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী আইআরজিসির নজরে থাকতে পারে।
এর আগে বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে উঁচু বি-১ সেতুটি আংশিকভাবে ধ্বংস হয় বলে দাবি করা হয়। ১৩৬ মিটার উচ্চতার এই সেতুটি তখনো নির্মাণাধীন ছিল এবং এটি তেহরানকে পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর কারাজের সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা ছিল।
স্থানীয় প্রশাসনের বরাতে জানা যায়, হামলায় অন্তত ৮ জন নিহত এবং প্রায় ৯৫ জন আহত হয়েছেন। ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে সেতুর বড় অংশ ধসে পড়তে দেখা যায় এবং ধোঁয়া উঠতে দেখা যায় আশপাশ এলাকায়।
এদিকে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি ভিডিও শেয়ার করে দাবি করেন, সেতুটি ব্যাপক ক্ষতির শিকার হয়েছে এবং এটি আর ব্যবহারযোগ্য অবস্থায় নেই। তিনি ইরানকে দ্রুত আলোচনায় আসার আহ্বান জানিয়ে সতর্ক করেন, নাহলে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে মন্তব্য করেন।
অন্যদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, বেসামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা ইরানকে চাপের মুখে ফেলতে পারবে না। বরং এটি আক্রমণকারীদের রাজনৈতিক ও নৈতিক অবস্থানকে দুর্বল করবে।