সংবাদ সম্মেলনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর নির্দেশে যুদ্ধে নিহত মার্কিন সেনাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান জেনারেল ড্যান কেইন। তিনি বলেন, যৌথ বাহিনী তিনটি লক্ষ্য সামনে রেখে অভিযান চালাচ্ছে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতা ধ্বংস, ইরানের নৌ শক্তি দুর্বল করা এবং ভবিষ্যৎ হামলার সামর্থ্য ভেঙে দেওয়া।
কেইনের দাবি, যুদ্ধের শুরুর তুলনায় ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রায় ৯০ শতাংশ কমেছে। এখন মাইন বহনে সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থায় আঘাত করা হচ্ছে। তিনি চলমান অভিযানকে কঠিন ও অব্যাহত প্রচেষ্টা হিসেবে উল্লেখ করেন।
হেগসেথ বলেন, সংঘাতের ফল যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষেই যাবে এবং ‘পারমাণবিক চাপ’ মেনে নেওয়া হবে না। এর আগে ট্রাম্প সতর্ক করে বলেন, হরমুজ প্রণালি-তে তেল সরবরাহে বাধা এলে ইরানকে বহু গুণ বেশি শক্তি দিয়ে জবাব দেওয়া হবে।
বেসামরিক প্রাণহানি এড়াতে সর্বোচ্চ সতর্কতার দাবি করে হেগসেথ বলেন, অভিযোগ উঠলে তদন্ত হবে, তবে যাচাইবিহীন তথ্যকে প্রমাণ ধরা যাবে না। তিনি আরও জানান, যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হবে কি না, সে সিদ্ধান্ত প্রেসিডেন্টের।
প্রতিবেশী দেশগুলোতে হামলা চালিয়ে ইরান কৌশলগত ভুল করেছে বলেও মন্তব্য করেন মার্কিন কর্মকর্তারা। তাদের মতে, এতে আঞ্চলিক দেশগুলো আরও বেশি করে যুক্তরাষ্ট্রের দিকে ঝুঁকছে।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান