প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক চাপ এবং দলীয় অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে ঘনিষ্ঠদের সঙ্গে আলোচনা করছেন স্টারমার। তবে সরকারের একটি সূত্র জানিয়েছে, তিনি এখনো দায়িত্ব পালনে মনোযোগী রয়েছেন এবং আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত জানাননি।
গত কয়েক মাস ধরে লেবার পার্টির ভেতরে তার নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। সম্প্রতি দলীয় এক গুরুত্বপূর্ণ আসনে অ্যান্ডি বার্নহামের বিজয়ের পর নেতৃত্ব পরিবর্তনের আলোচনা আরও জোরালো হয়েছে।
২০২৪ সালের নির্বাচনে বড় জয় পেলেও পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন নীতি ও অর্থনৈতিক ইস্যুতে জনসমর্থন হারাতে থাকেন স্টারমার। জীবনযাত্রার ব্যয়, জনসেবা সংকট এবং অভিবাসন ইস্যুতে সরকারের ভূমিকা নিয়ে সমালোচনাও বেড়েছে।
দলীয় সূত্রগুলো বলছে, লেবার পার্টির উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সংসদ সদস্য ইতোমধ্যে নেতৃত্বে পরিবর্তনের পক্ষে মত দিয়েছেন। ফলে স্টারমারের ওপর রাজনৈতিক চাপ আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।
সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছেন গ্রেটার ম্যানচেস্টারের মেয়র অ্যান্ডি বার্নহাম। যদিও তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে নেতৃত্বের দৌড়ে নামেননি, তবুও দলটির ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়ে তার নামই সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হচ্ছে।
এদিকে স্টারমার এখনো প্রকাশ্যে জানিয়েছেন, নেতৃত্বের বিরুদ্ধে যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তিনি প্রস্তুত। তবে সোমবার তার ঘোষণার দিকেই এখন নজর রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।