আজ রাজধানীর একটি হোটেলে সাংবাদিক ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সভায় তিনি বলেন, মতপার্থক্য থাকা স্বাভাবিক, তবে তা কখনো মতবিরোধে রূপ নেবে না। তিনি মনে করান, দেশের মানুষ ৫ আগস্টের ঘটনাই দেখেছে প্রতিহিংসা বা প্রতিশোধের পরিণতি কী হতে পারে।
যুক্তরাজ্যে দেড় যুগ নির্বাসনের পর গত ২৫ ডিসেম্বর সপরিবারে দেশে ফেরেন তারেক রহমান। এরপর ৩০ ডিসেম্বর তার মা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া মারা যান। এর ১০ দিনের মধ্যে তাকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে চেয়ারম্যান হিসেবে ঘোষণা করা হয় এবং পরদিন সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রথম বৈঠকে বসেন।
তারেক রহমান আশা প্রকাশ করেন, জনগণের ভোটে বিএনপি সরকার গঠন করলে সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীদের কাছ থেকে গঠনমূলক সমালোচনা পাবেন। তিনি বলেন, দেশের স্বপ্ন বড়, সব আশা একসাথে পূরণ সম্ভব নয়, তবে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সবাই একসঙ্গে কাজ করলে জাতিকে সঠিক পথে নেওয়া সম্ভব। তিনি রাজধানীর পানির সমস্যা, তরুণদের কর্মসংস্থান, সড়ক নিরাপত্তা এবং কৃষকের সমস্যা সমাধানের গুরুত্বও উল্লেখ করেন।
বিগত সময়ে আইটি পার্কের নামে নির্মিত বড় বিল্ডিংগুলো বর্তমানে অনৈতিক কাজে বা কমিউনিটি সেন্টার হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে, তবে এগুলো নিয়ে নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।
চলমান রাজনৈতিক সময়কে সামনে রেখে তারেক রহমান বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশ গণতন্ত্রের দিকে এগোবে। ২২ জানুয়ারি থেকে দল জনগণের কাছে নানামুখী পরিকল্পনা উপস্থাপন করবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, মেজর অব. হাফিজ উদ্দিন আহমেদসহ সিনিয়র নেতারা। গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বদের মধ্যে ছিলেন— শফিক রেহমান, আবদুল হাই সিকদার, নুরুল কবির, মতিউর রহমান চৌধুরী, মাহমুদুর রহমান, আযম মীর শাহিদুল আহসান, জহিরুল আলম, এম এ আজিজ, কাদের গণি চৌধুরী, হাসান হাফিজ, শহিদুল ইসলাম ও খুরশীদ আলম।