আসন্ন জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে শান্তি ও সুষ্ঠু ভোট নিশ্চিত করতে সরকার সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি বলেন, পাহাড়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিতে ফ্যাসিস্ট বুদ্ধিজীবীরা ইন্ধন দিয়েছিল, তবে বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা সহিংসতা প্রতিরোধে সরকার কঠোর অবস্থান নিয়েছে। রোববার (১২ অক্টোবর) সকালে সচিবালয়ে কোর কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
তিনি বলেন, “দেশে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এবং সুষ্ঠু ভোট প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে যেকোনো ব্যক্তি বা সংগঠন যারা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করবে, তাদের চিহ্নিত করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, নির্বাচনে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ৮০ হাজার সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে যাতে কোনো অনিয়মের সুযোগ না থাকে।
তিনি বলেন, “আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা যাতে কোনো বেআইনি কর্মকাণ্ডে জড়িত না হন, সে বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।”
পাহাড়ের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও বলেন, “পাহাড়ে অতীতে ফ্যাসিস্ট বুদ্ধিজীবীরা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিতে ইন্ধন দিয়েছিল, তবে বর্তমানে পরিস্থিতি অনেক শান্ত।”
তিনি জানান, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের জাতীয় নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারীদের মধ্যে অনেককে এবার দায়িত্ব থেকে বিরত রাখা হবে যাতে স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা নিশ্চিত করা যায়।
এছাড়া তিনি জানান, নির্বাচনে নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রায় দেড় লাখ পুলিশ সদস্যকে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে, যার কাজ ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে। প্রশিক্ষণ সম্পন্ন হলে নির্বাচনী মাঠে নিখুঁত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে বলে আশ্বাস দেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।