দুর্গাপূজায় অসুরের মুখে দাড়ি সংযোজন ও খাগড়াছড়ির অস্থিরতা সৃষ্টির পেছনে একই ষড়যন্ত্রমূলক সূত্র কাজ করেছে বলে দাবি করেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি বলেন, ফ্যাসিস্ট গোষ্ঠী ও তাদের আন্তর্জাতিক মদদদাতারা বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করেছিল, কিন্তু সরকারের সতর্ক অবস্থানে সব চক্রান্ত ভেস্তে গেছে।
দুর্গাপূজা এবং খাগড়াছড়ির সাম্প্রতিক অস্থিরতার ঘটনায় ফ্যাসিস্ট শক্তি ও তাদের আন্তর্জাতিক সহযোগীদের বিরুদ্ধে তীব্র অভিযোগ তুলেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
রোববার (৫ অক্টোবর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, “দুর্গাপূজার ৭৯৩টিরও বেশি মণ্ডপে অসুরের মুখে দাড়ি লাগানো হয়েছিল। এমনকি ভারতে দুর্গাপূজায় অসুরের মুখ প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের আদলে তৈরি করার ঘটনাও একই পরিকল্পনার অংশ ছিল। দুই ঘটনার উৎস একই সূত্রে গাঁথা।”
তিনি অভিযোগ করেন, দেশবিরোধী ফ্যাসিস্ট শক্তিগুলো পার্বত্য চট্টগ্রামকে অশান্ত করে এবং ধর্মীয় উসকানির মাধ্যমে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ভাঙতে চেয়েছিল। “ধর্ষণের অভিযোগ তুলে পার্বত্য চট্টগ্রামকে উত্তপ্ত করা এবং দুর্গাপূজায় অসুরের মুখে দাড়ি লাগানো—এই দুটি ঘটনার পেছনে একই চক্র কাজ করেছে।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও জানান, অসুরের মুখে দাড়ি লাগানোর ঘটনায় তদন্ত চলছে এবং দোষীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে।খাগড়াছড়ির ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিবেশী দেশের ভূমিকার দিকেও ইঙ্গিত করেন তিনি। তবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বক্তব্যের বিষয়ে কোনো মন্তব্য না করে বলেন,“এই বিষয়ে সাংবাদিকরাই ভালো জানেন।”
ব্রিফিংয়ের শেষ পর্যায়ে তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, “দেশপ্রেমিক সাংবাদিক হিসেবে আপনারা জাতিকে বিভ্রান্তি থেকে রক্ষা করুন। যারা চক্রান্ত করছে, তাদের মুখোশ উন্মোচন করা এখন আমাদের সবার দায়িত্ব।”