নেতানিয়াহু প্রশাসনের দাবি অনুযায়ী, গাজা সিটির ৪০ শতাংশ এখন ইসরায়েলি দখলে। হামাসকে পুরোপুরি নির্মূলের অজুহাতে আগ্রাসন আরও বাড়াচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী। যদিও হামাস সব জিম্মি ফিরিয়ে দিতে রাজি, তবু সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে ইসরায়েল। এর ফলে গাজায় প্রতিদিন বাড়ছে প্রাণহানি ও মানবিক বিপর্যয়।
গাজা সিটির প্রায় ৪০ শতাংশ এখন ইসরায়েলি নিয়ন্ত্রণে— এমন দাবি করেছে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু প্রশাসন। স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাসকে ধ্বংসের ঘোষণা দিয়ে আরও বিস্তৃত ও তীব্র অভিযানের কথা জানিয়েছে দেশটির সামরিক বাহিনী।
গাজা সিটির আকাশ প্রতিদিন ধোঁয়ায় ঢেকে থাকে, রাস্তায় লাশ আর আহত মানুষের আহাজারি। ঘরবাড়ি হারানো হাজারো মানুষ ছুটে বেড়াচ্ছে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে। প্রিয়জন হারানো স্বজনেরা দিন কাটাচ্ছেন শোকে আর আতঙ্কে।
ইসরায়েলের সামরিক মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এফি ডেফরিন বলেন, “গাজা সিটির ৪০ শতাংশ আমাদের দখলে। সামনে অভিযান হবে আরও বৃহৎ ও কঠোর। কারণ হামাস প্রতিরোধে নামলে তাদের পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন করা হবে।”
গাজার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রতিদিন অন্তত অর্ধশত মানুষ প্রাণ হারাচ্ছেন ইসরায়েলি হামলায়। আহতরা পর্যাপ্ত চিকিৎসা পাচ্ছেন না, মৃত্যুর সাথে লড়াই করছেন হাজারো মানুষ।
এদিকে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে, হামাস সব জিম্মিকে ফিরিয়ে দিতে রাজি হলেও ইসরায়েল তা প্রত্যাখ্যান করেছে। বরং শর্ত দিয়েছে পাঁচটি নতুন দাবি— যার মধ্যে রয়েছে হামাসের নিরস্ত্রীকরণ এবং তাদের বাদ দিয়ে প্রশাসন গঠন।