৪৩৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে পাকিস্তান দ্বিতীয় ইনিংসে গুটিয়ে যায় ৩৫৮ রানে। শেষ উইকেটটি নেন তাইজুল ইসলাম। তার ফ্লাইটেড বলে বড় শট খেলতে গিয়ে ডিপ মিডউইকেটে তানজিদ হাসান তামিমের হাতে ক্যাচ দেন খুররম শাহজাদ। সেই আউটেই শেষ হয় পাকিস্তানের লড়াই।
শেষ দিনে রিজওয়ান ও সাজিদ খান কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও তা টেকেনি। অষ্টম উইকেটে তারা দলকে ৩৫৮ পর্যন্ত নিয়ে যান। তবে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন তাইজুল, সাজিদকে ফেরানোর পরই পূর্ণ করেন নিজের পাঁচ উইকেট। এরপর শরিফুল ফেরান ৯৪ রানে থাকা রিজওয়ানকে।
এর আগে পাকিস্তানের ইনিংসে লড়াই গড়ে ওঠে কয়েকটি জুটিতে। বাবর আজম করেন ৪৭, শান মাসুদ ৭১ এবং সালমান আগা ও রিজওয়ান ষষ্ঠ উইকেটে ১৩৪ রানের জুটি গড়েন। সালমান ৭১ করে আউট হন, আর রিজওয়ান থামেন ৯৪ রানে।
বাংলাদেশের জয়ের ভিত গড়ে দেয় প্রথম ইনিংস। ১১৬ রানে ৬ উইকেট হারানোর পর লিটন দাসের ১২৬ রানে দল পৌঁছে ২৭৮-এ। জবাবে পাকিস্তান করে ২৩২, ফলে বাংলাদেশ পায় ৪৬ রানের লিড।
দ্বিতীয় ইনিংসে মুশফিকুর রহিমের ১৩৭ রানের ইনিংসে বাংলাদেশ তোলে ৩৯০ রান এবং পাকিস্তানের সামনে দাঁড়ায় ৪৩৭ রানের বড় লক্ষ্য।
শেষ ইনিংসে পাকিস্তান চেষ্টা করলেও বাংলাদেশের বোলাররা নিয়মিত বিরতিতে আঘাত হানে। তাইজুল ৬ উইকেট নিয়ে সবচেয়ে সফল বোলার হন।
সিলেটের এই জয় বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ এক অধ্যায়, যেখানে লিটন, মুশফিক আর তাইজুলরা মিলেই লেখা হলো নতুন সাফল্যের গল্প।