এসআরবির প্রধান আহসান হাবীব পলাশ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এসআরবি নামে গেজেট প্রকাশিত হয়েছে। র্যাবের পরিবর্তে নতুন নামেই বুধবার থেকে সব কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
এদিন বাহিনীটির সংবাদ সম্মেলনের আমন্ত্রণপত্রে নতুন লোগো ব্যবহার করা হয়। লোগোতে ‘র্যাব বাংলাদেশ’-এর পরিবর্তে লেখা হয়েছে ‘এসআরবি বাংলাদেশ’। তবে লোগোর নকশায় কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। বিভিন্ন ইউনিটের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতেও নতুন নাম ও লোগো ব্যবহার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) এসআরবি গঠনসংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করা হয়। এতে বলা হয়েছে, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা, সন্ত্রাসবাদ ও সংঘবদ্ধ অপরাধ দমন এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখতে পুলিশকে সহায়তার জন্য একটি আধুনিক, পেশাদার, দক্ষ ও জবাবদিহিমূলক বিশেষায়িত ইউনিট প্রয়োজন।
গেজেটে বিশেষায়িত ইউনিটের ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, কার্যকর তদারকি ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে। এসব বিবেচনায় বিদ্যমান র্যাব বিলুপ্ত করে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন’ নামে নতুন বিশেষায়িত ইউনিট গঠনের জন্য আইন করা হয়েছে।
এর আগে ১০ সেপ্টেম্বর র্যাব বিলুপ্ত করে পুলিশের অধীনে এসআরবি গঠনের বিল জাতীয় সংসদে পাস হয়। পরদিন এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি হলে আইনটি কার্যকর হয়। এরপরই নতুন কাঠামোয় কার্যক্রম শুরু করল বাহিনীটি।
২০০৪ সালের ২৬ মার্চ বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময় র্যাব গঠন করা হয়েছিল। গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে ২০২১ সালের ১০ ডিসেম্বর র্যাব এবং বাহিনীটির সাত কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয় যুক্তরাষ্ট্র।
২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর একই বছরের ১০ ডিসেম্বর বিএনপি গঠিত পুলিশ প্রশাসন সংস্কারবিষয়ক কমিটি র্যাব বিলুপ্ত করার সুপারিশ করে। এর ধারাবাহিকতায় র্যাবের কাঠামো ও কর্মপরিধি পুনর্বিন্যাস করে এসআরবি নামে নতুন কাঠামোয় বিশেষায়িত ইউনিটটির কার্যক্রম চালু রাখা হলো।