রোববার রাজধানীর বনানীতে আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশের (অ্যামচ্যাম) নতুন কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
রাষ্ট্রদূত জানান, যুক্তরাষ্ট্র এখন বাণিজ্যিক কূটনীতিকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। এর উদ্দেশ্য হলো দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও ভারসাম্যপূর্ণ ও প্রতিযোগিতামূলক ভিত্তির ওপর দাঁড় করানো।
তিনি বলেন, মার্কিন কোম্পানিগুলো শুধু বিনিয়োগই করে না, কর্মসংস্থান তৈরি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং অর্থনীতির কাঠামো শক্তিশালী করতেও ভূমিকা রাখে।
অনুষ্ঠানে অ্যামচ্যামের নতুন নেতৃত্ব দায়িত্ব নেয়। সংগঠনটি দীর্ঘদিন ধরে দুই দেশের ব্যবসায়িক সম্পর্কের সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করছে বলে উল্লেখ করেন রাষ্ট্রদূত।
তিনি আরও বলেন, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও অনিয়ম দূর করা গেলে বাংলাদেশ আরও বড় বিনিয়োগ গন্তব্যে পরিণত হতে পারে। ভবিষ্যতে দুই দেশের সম্ভাব্য বাণিজ্য চুক্তি এই সম্পর্ককে আরও গভীর করবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।