তিনি বলেন, রমজান আত্মশুদ্ধি, নৈতিকতা ও মানবিকতার শিক্ষা দেয়। সমাজে ঈমানদার মানুষের সংখ্যা বাড়লে সমাজ সুস্থ থাকে; কমলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। শিক্ষার্থীদের জ্ঞান অন্বেষণ ও পাঠ্যবইয়ের সঙ্গে নিয়মিত সংযোগ রাখার পরামর্শ দেন তিনি।
ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, জাতি গঠনে মেধাবী ও চরিত্রবান তরুণ প্রজন্ম প্রয়োজন। “আমরা চাই দেশপ্রেম ও মানুষের প্রতি ভালোবাসা সম্পন্ন মেধাবী তরুণ, কোনো ‘ইভিল ট্যালেন্ট’ নয়।”
তিনি উল্লেখ করেন, তামীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসার লক্ষ্য ঈমানদার ও দেশপ্রেমিক নেতৃত্ব তৈরি। জুলাই আন্দোলনে শহীদ হওয়া পাঁচ ছাত্রের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তিন অ্যালামনাই সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার বিষয়েও সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সভাপতি অ্যাডভোকেট মাওলানা আতিকুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল এহসান পরিচালনা করেন। কোরআন তেলাওয়াত করেন কারি আব্দুল্লাহ আল জাওয়াদ; তুরাগ শিল্পী গোষ্ঠী ইসলামী সংগীত পরিবেশন করে।
সংবর্ধিত অতিথি ছিলেন এমপি ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন, এমপি সালাহ উদ্দিন আইয়ুবী, এমপি হাফেজ মো. রাশেদুল ইসলাম এবং এমপি আ. হান্নান মাসুদ। আলোচনা পর্বে বক্তব্য রাখেন অধ্যক্ষ ড. হিফজুর রহমান, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ড. খলিলুর রহমান মাদানী, জামায়াতে ইসলামীর নির্বাহী সদস্য আব্দুর রব, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম এবং ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ সিগবাহ।
সমাপনী দোয়ায় দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ কামনা করেন উপাধ্যক্ষ মাওলানা মিজানুর রহমান। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ড. হাফিজুর রহমান।