দলটির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য ও ছাত্র শিবিরের সাবেক সভাপতি সিরাজুল ইসলাম জানান, শনিবার বিকেল ৪টার দিকে হঠাৎ করে অ্যাকাউন্টটির নিয়ন্ত্রণ হারানো হয়। কিছুক্ষণ পর সাড়ে ৪টার দিকে সেখান থেকে আপত্তিকর একটি পোস্ট প্রকাশিত হয়। বিষয়টি নজরে আসতেই দলের সাইবার টিম কাজ শুরু করে এবং বিকেল ৫টার পর অ্যাকাউন্ট পুনরুদ্ধার করে। বিতর্কিত পোস্ট দ্রুত সরিয়ে ফেলা হলেও তা নিয়ে বিভিন্ন মাধ্যমে আলোচনা ছড়িয়ে পড়ে।
জামায়াতের দাবি, একই সময়ে দলের আরও কয়েকজন শীর্ষ নেতার সামাজিক মাধ্যম অ্যাকাউন্টেও সাইবার হামলার চেষ্টা হয়েছে।
রোববার এক বিবৃতিতে দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, সমন্বিত পদ্ধতিতে হামলাকারীরা সাময়িকভাবে অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণ নেয়। তবে দ্রুত পদক্ষেপে তা উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে এবং অন্যান্য প্ল্যাটফর্মের নিরাপত্তাও নিশ্চিত করা হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, ওই সময়ে প্রকাশিত পোস্টটি জামায়াত আমিরের বক্তব্য বা অবস্থানকে প্রতিফলিত করে না; এটি মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর। ভুয়া তথ্য, জাল উদ্ধৃতি ও বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে সবাইকে কেবল বিশ্বস্ত সূত্র থেকে তথ্য যাচাই করে শেয়ার করার অনুরোধ করা হয়।
ডা. শফিকুর রহমান নিজেও এক পোস্টে জানান, তার অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে মনগড়া তথ্য ছড়ানো হয়েছে। বিষয়টি জানার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
এর আগে ওই অ্যাকাউন্ট থেকে নারীদের নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য প্রকাশ পায়, যা ঘিরে সমালোচনা শুরু হলে জানানো হয় অ্যাকাউন্টটি হ্যাক হয়েছিল।