তারেক রহমান বলেন, একজন সরকারি কর্মকর্তা যে এলাকার দায়িত্বে থাকেন, সেটি তার নিজের এলাকা না হলেও সেখানে বসবাসকারী মানুষ দেশেরই নাগরিক। তাই দায়িত্ব পালনের সময় এলাকার প্রতিটি মানুষকে নিজের পরিবারের সদস্যের মতো গুরুত্ব দিয়ে তাদের কল্যাণে কাজ করতে হবে।
তিনি বলেন, রাষ্ট্রের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের জন্য জনগণের সেবা করার সুযোগ বড় একটি আমানত। এই দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ ও বসবাসযোগ্য দেশ গড়ে তোলার চেষ্টা করতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজ যারা দায়িত্বে আছেন, তারা সবসময় থাকবেন না। তাই বর্তমান প্রজন্মের দায়িত্ব হলো এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে যাওয়া, যেখানে পরবর্তী প্রজন্ম নিরাপদ পরিবেশে বসবাস করতে পারে এবং মানুষের জীবনযাত্রার মান আরও ভালো হয়।
সামাজিক বিভিন্ন সমস্যা মোকাবিলায় শুধু আইন প্রয়োগ যথেষ্ট নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি। মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো ও তাদের বোঝানোর মাধ্যমেও অনেক সমস্যার সমাধান সম্ভব। এজন্য নিজ নিজ কর্ম এলাকায় জনসচেতনতা তৈরির উদ্যোগ বাড়াতে ইউএনওদের নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী।
সভায় খাল খনন প্রকল্পের প্রসঙ্গও উঠে আসে। বিভিন্ন উপজেলায় প্রকল্পের কাজ শেষ করে নির্ধারিত অর্থের বাইরে থাকা টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়ায় সংশ্লিষ্ট ইউএনওদের প্রশংসা করেন তারেক রহমান।
খাল খননের ফলে নিজেদের এলাকায় কৃষি, পানি ব্যবস্থাপনা ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় যে পরিবর্তন এসেছে, সভায় তার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন ইউএনওরা।
সভায় ৮৩টি উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন, যেসব উপজেলায় খাল খনন প্রকল্পের অব্যয়িত অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্যসচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।